মাহবুব মোর্শেদ

ব্লগ

সামহয়ারে ব্লগিংয়ের তিন বছর পূর্তি উপলক্ষে পোস্ট : গুডবাই সামহয়ারইন May 4, 2009

Filed under: Uncategorized — mahbub morshed @ 10:50 am

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২৫

শেয়ার করুন: Facebook

আর দুইদিন পর সামহয়ারে আমার তিন বছর পূর্তি হবে। তার আগেই এই পোস্ট লিখছি। সামহয়ার কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি, তাদের নজরে পোস্টটি পড়লে এবং এতে তারা আক্রান্ত বোধ করলে যেন আমার ব্লগটি ডিলেট না দেন। আমার লেখাগুলো সরিয়ে নেয়ার জন্য যেন আমাকে প্রয়োজনীয় সময় দেন।
যেসব কারণে আমি সামহয়ার ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি :
১. বায়াস মডারেশন :
সামহয়ারের নীতিমালা আছে। সে নীতিমালা আপনা থেকে প্রয়োগ হয় নাকি কেউ অভিযোগ করলে প্রয়োগ হয় তা রীতিমতো গবেষণার বিষয়। আমার মতে, সামহয়ার নীতিমালায় প্রয়োগ বিষয়ে কনফিউজ। আমি এই ব্লগে বহু ব্যক্তিগত আক্রমণ, ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ, ছবি বিকৃতি ইত্যাদির শিকার হলেও সামহয়ারের টনক নড়েনি। কিন্তু আমি গল্প লিখে একজন জালিয়াতের তথ্য প্রকাশের উদ্যোগ নিলে আমার পোস্ট মুছে দেয়া হয়েছে।
২. ব্যক্তিগত সম্পর্ক :
আমার মতে সামহয়ারের সঙ্গে কারো ব্যবসায়িক স্বার্থ জড়িত নয়। কিন্তু ব্যক্তিগত সম্পর্কের ভিত্তিতে তারা মডারেশন করেন। একই অপরাধ করে কেউ ছাড়া পান কেউ কঠোর শাস্তি পান।
৩. অশ্লীলতা ও অশালীনতাকে প্রশ্রয় দান :
সামহয়ার শুধু হিট বাড়ানোর প্রয়োজনে অশ্লীলতা, মানহানী ও অশালীন পোস্টকে প্রশ্রয় দেয়। এ বিষয়ে মডারেটরদের স্পষ্ট কোনো ধারণা নেই।
৪. ব্লগের অন্তর্দলীয় কোন্দলে অংশগ্রহণ:
ব্লগে অন্তর্দলীয় কোন্দল থাকবে। কারণ এখানে নানা মতের মানুষ আসেন। কিন্তু আমি গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ করছি ব্লগ পরিচালনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা সেই কোন্দলে অংশ গ্রহণ করছেন। যা কোন্দলকে বাড়িয়ে তুলছে।
৫.সংঘর্ষের আশঙ্কা :
ব্লগের বিরোধ সামহয়ারের বাইরে ছড়ানোর সমূহ আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ব্লগের বাইরে কিছু সংঘর্ষের আলামত পাওয়া গেছে। অবস্থা এমন পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে যে আর বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে নিজের মত প্রকাশ করা যাচ্ছে না।
৬. স্টেটাস পরিবর্তন :
আমার পরিচালনায় একটি ব্লগ চালু হওয়ার পরও আমি আশা করেছিলাম সাধারণ একজন ব্লগার হিসেবে সামহয়ারে লিখে যাবো। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সামহয়ার কর্তৃপক্ষ সেটি করতে দিবেন বলে মনে হচ্ছে না। তারা তুচ্ছ কারণে আমাকে সাধারণ ব্লগারই করে রেখেছেন।
আমি আশা করবো, সামহয়ার তার ব্যধি থেকে মুক্ত হোক। কিন্তু সে ব্যধিমুক্ত ব্লগে হয়তো আমি ফিরবো না।
আবারও বলি, পোস্টগুলো সরিয়ে নেয়ার জন্য আমার মাস খানেক সময় প্রয়োজন।
আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।

প্রকাশ করা হয়েছে: চটজলদি বিভাগে ।

<!––>

  • ২৭ টি মন্তব্য
  • ৩৬০ বার পঠিত,
Send to your friend Print

রেটিং দিতে লগ ইন করুন

পোস্টটি ১৫ জনের ভাল লেগেছে, ১৯ জনের ভাল লাগেনি

১. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২৮

comment by: বুলবুল আহমেদ পান্না বলেছেন: কৈতক না তো ???
২. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩১

comment by: বিপ্লব কান্তি বলেছেন: আপনি এত পুরনো ব্লগার ।

চলে যাবেন কেন ?

৩. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩১

comment by: সুদীপ্ত বলেছেন: সামু কর্তৃপক্ষের এখন গলায় দড়ি দিয়ে মরা উচিত। এ কি কথা শুনি আজ মন্থরার মুখে!
৪. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩১

comment by: সময়খেকো বলেছেন: যা শালা ভাগ্। বেশী বেশী আলু খাও।
৫. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩৩

comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: একটা ব্লগ পরিচালনা করেন বৈলা আপনেরে স্পেশাল ট্রিটমেন্ট দিতে হবে???

এইখানে কর্তৃপক্ষ সেইটা দেয় নাই, জেন্রেল কৈরা রাখছে বৈলা এতো রাগ?

তা, আপনার ব্লগে কি হোমড়া চোমড়ারা ইস্পিশাল খাতির পায়?

৬. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩৭

comment by: গিফার বলেছেন: :(
৭. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪২

comment by: কখনও মানব কখনও দানব বলেছেন: বাই বাই………………………
৮. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৩

৯. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৫

comment by: মফিজুল হক বলেছেন: শুধু জেনারেল হবার কারনে গুডবাই জানাবেন?????
১০. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫০

comment by: সুদীপ্ত বলেছেন: আসছে এমন কলির কাল/ ছাগলে চাটে বাঘের গাল

লাইন্টা ভাল্লাগছে

১১. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫৩

comment by: মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: আপনের আগের পোস্টা মুছে দিছে?
১২. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:০৫

comment by: মোহাম্মদ আরজু বলেছেন: পার্টির সংস্কারের চিন্তা থেকে কারো কারো সাথে লোকালটকের বিরোধিতা আপাত হইতেই পারে। কিন্তু এইটা এখন ধইরা লওন যায় যে, লোকালটক পার্টি আসলেই সামহোয়ার মালিকদের কিংস পার্টি।
আপনে যান। সমস্যা নাই। মাইনাস ওয়ান ফর্মুলায় যারা এখন খানাদানাউৎসবে ব্যস্ত হয়া পড়ছে তারা শীঘ্রই লাইনে আইসা পড়বো। লোকালটক যে দক্ষ ব্যবস্থাপক এই বিষয়ে নিশ্চয় আপনের সন্দেহ নাই।
১৩. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:২৫

comment by: শ খি আ ঈয়ন বলেছেন: ”আমার পরিচালনায় একটি ব্লগ চালু হওয়ার পরও আমি আশা করেছিলাম সাধারণ একজন ব্লগার হিসেবে সামহয়ারে লিখে যাবো। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সামহয়ার কর্তৃপক্ষ সেটি করতে দিবেন বলে মনে হচ্ছে না। তারা তুচ্ছ কারণে আমাকে সাধারণ ব্লগারই করে রেখেছেন”-এসবও ভাবার বিষয় !
১৪. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৩২

comment by: গুরু ভাই বলেছেন: ঘুইরা আহেন…
Click This Link
১৫. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৫০

comment by: সীমান্ত আহমেদ বলেছেন: কী বলব? মন্তব্য জবাব না পেলে মন্তব্য করতে বিরক্ত লাগে। যাহোক শুভ বিদায় মাহবুব ভাই। আশা করি আবার দেখা হবে।
১৬. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:১১

comment by: রবিউলকরিম বলেছেন: বুদ্ধিমানের মতো কাজ করলা এতদিনে
১৭. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:১৩

comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: …আমি অপেক্ষায় আছি পরিবেশ ভাল হওয়ার। কোনদিন হলে আবার এখানে লিখবো হয়তো। কিন্তু সেরকম কোন আলামত আসলে পাওয়া যাচ্ছে না…

ব্লগ থেকে রিয়েল লাইফে এবং ভার্চুয়াল লাইভে সংঘর্ষ ছড়িয়ে যাচ্ছে এটা সত্যি কথা। আমি নিজেই কিছুটা ভিকটিম। ইমেইলে হুমকি পাওয়া ব্লগারদের সংখ্যাও কম নয়। দু:খ লাগে যখন এই হামলাকারীদের কথায় ব্লগ কতৃপক্ষ নেচেছে।

সামহোয়্যারইনের প্রতি একটা টান সবসময়ই অনুভব করি। যেদিন প্রথম এখানে বাংলায় নিজের ব্লগ লিখেছিলাম সেদিন এক আনন্দ লেগেছিলো.. সেটা প্রকাশ করার ভাষা আমার নেই। এই কারণেই এই ঘুরে ফিরে এই ব্লগটায় চলে আসি। একটা সময় সামহোয়্যারইনের পরিবেশ ভাল করার জন্য অনেক পোস্ট করেছি। অনেক গালি খেয়েছি… গালিগুলো গায়ে না লাগলেও কতৃপক্ষ যখন সেই গালীবাজদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছে তখন দু:খ পেয়েছি। তারপর তো ব্লগ নিয়ে চিন্তা ভাবনা বাদ দিলাম…. একটা সময় আপনি আমি এবং আরো অনেক ব্লগার সামহোয়্যারইনকে বুঝানোর চেষ্টা করেছি কিভাবে এটীম এই ব্লগটিকে ধ্বংসের চেষ্টা করে যাচ্ছে। আমাদের কথায় ব্লগাররা সায় দিলেও কতৃপক্ষ ছিলো নির্বিকার। আজকে দেখলাম আমাদের সেইসব কথার বাস্তব প্রমাণ সহ একজন পোস্ট দিয়েছে- Click This Link ..এরপরও যদি সা.ই.ক বুঝতে না পারে তাহলে সবকিছুই পন্ডশ্রম।

যেদিন উলটা পাল্টা মডারেশন নিয়ে গঠনমূলক একটা সমালোচনা করে ‘জেনারেল’ হয়ে গেলাম সেদিন থেকেই সা.ইনে কি হচ্ছে বা কি হলে ভাল হবে এইসব চিন্তা বাদ দিয়েছি। এটা এখন আমার কাছে ব্লগস্পটের মতই একটা প্লাটফর্ম। পরিবেশ খারাপ তাই পোস্ট দিচ্ছি না.. কখনো ভাল হলে পোস্ট দেব আবার। আমার মনে হয় আপনার মত পুরানো এবং শক্তিশালী ব্লগারও আমার পলিসি গ্রহণ করতে পারেন। নতুবা আমরা কিছু ভাল লেখা থেকে বঞ্চিত হবো..

১৮. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:২২

comment by: ডিজুষ আঙক্ষেল বলেছেন: চলে যাওয়াটাই ভালো হবে। সবাই গেলে বোকা সামহোয়ারের একদিন টনক নড়বে।
১৯. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:১০

comment by: সুদীপ্ত বলেছেন: সামহোয়্যারের পরিবেশ অনেক ভালো হয়েছে এবং আরো হবে। চিন্তার কিছু নেই @চীফ
২০. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২৩

comment by: শাহীন শেখ বলেছেন: ১১
২১. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৯

comment by: অক্ষর বলেছেন: সুদীপ্ত বলেছেন: সামহোয়্যারের পরিবেশ অনেক ভালো হয়েছে এবং আরো হবে। চিন্তার কিছু নেই @চীফ
২২. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০৬

comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: ত্রিভুজ, তুমি নাকি হিজবুত করো?

কথা সত্য নাকি?

২৩. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১৭

comment by: নূহান বলেছেন: মামোর কোলে ছাগু
কইরা দিলো হাগু

ছাগুর কোলে মামো
উহ্‌, লাগছে ব্যাথা থামো

২৪. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২৭

comment by: শাহরিয়ার হাসান বলেছেন: @ছাগলরাজ, তোমরার আলু বলগ থাকতে “সামু বলগের পরিবেশ ভালু হইরে পোস্টাইবো ” এইটার জন্য অপেক্ষায় আচো কেন? তোমাগো বলগে দেকি কুনু কমেন্ট পড়ে না, কিন্তু প্রচুর নিক, প্রচুর পুস্ট! এইটার রহস্য কি?

@মামো, খুদাপেজ

২৫. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪০

comment by: বিডি আইডল বলেছেন: সবাইকে একদিন যেতে হয়
২৬. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০৩

comment by: এস্কিমো বলেছেন: ত্রিভুজ বলেছেন: …আমি অপেক্ষায় আছি পরিবেশ ভাল হওয়ার।

এই পোস্টের সাথে পরিবেশের সম্পর্ক কি?

২৭. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২১

comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: আপনি থাকলে খুশী হতাম।
 

রাস্তায় আসতে আসতে ছবি তুলতে তুলতে… March 5, 2009

Filed under: Uncategorized — mahbub morshed @ 7:31 am

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:২৮

শেয়ার করুন: Facebook

আজকে হেভি জ্যাম পড়ছে। বিসিএস কম্পিউটার সিটি থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত রাস্তা এনগেজড। ফার্মগেট পৌঁছাইতে লাগলো মাত্র দুই ঘণ্টা। তবু বেশ ভাল লাগলো। পৌঁছাইতে তো পারলাম। অনেকে পৌঁছাইতে পারবে বলে মনে হয় না।
বাস ফার্মগেট গেল সোজা সংসদ ভবনের পাশের রাস্তা দিয়া। ফাঁকে বিজয় সরণীটা দেখে নিলাম। গেঁথে আছে একটার সাথে আরেকটা গাড়ি। আজকেই প্রথম খেয়াল করলাম বিজয় সরণীতে যত গাড়ি তার মধ্যে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট সাকুল্যে দুই বা তিনটা। বাকীসব প্রাইভেট কার। এইগুলা মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, মিরপুরের গাড়ি মূলত। এত গাড়ি কিনছে লোকে?
টাকা কই পাইছে?
ফার্মগেট থেকে বেগুনবাড়ির রিকশা নিলাম। পথে পড়ে ট্রাক স্ট্যান্ড। এই সরকার ক্ষমতা নেয়ার পরপর ট্রাক স্ট্যান্ড সাফ করেছিল। কিন্তু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরকারের রফা হওয়ার বা রফা হওয়ার ভান হওয়ার পর ট্রাকে সয়লাব হয়ে গেছে ট্রাক স্ট্যান্ড। রাস্তা ভরা রঙ বেরঙয়ের ট্রাকে।
কী করি কিছু ছবি তুললাম বসে বসে।
আকাশের ছবি আর রিকশার চাকার ছবি।

প্রকাশ করা হয়েছে: চটজলদি বিভাগে ।

<!––>

  • ২৩ টি মন্তব্য
  • ২৪৫ বার পঠিত,
Send to your friend Print

রেটিং দিতে লগ ইন করুন

পোস্টটি ৫ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

১. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩৩

comment by: প্রাকৃতজন বলেছেন: ট্রাফিক জ্যাম’রও যে উপকারিতা আছে, তা জানলাম মাহবুবের অভিজ্ঞতা অর্জন দেখে ।
২. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩৭

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: তাই তো দেখতেছি।
৩. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৪৪

comment by: নূরে আলম বলেছেন: ৫ দিলাম আপনাকে।
আপনার লেখা ভাল লাগে।
তবে একটা কথা, take it as a request, সম্পুর্ন শুদ্ধ ভাষায় লিখুন।
অবশ্য এটা সম্পূর্ণই আপনার ইচ্ছার উপর নির্ভর করে।
৪. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:১৪

comment by: ঝড়ো হাওয়া বলেছেন: রিক্সার ছবিটা ভালো লাগছে।
৫. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:১৮

comment by: শরিফ রনি বলেছেন: ফার্মগেট থেকে বেগুনবাড়ির পথে যে ট্রাক স্ট্যান্ড পড়ে তা বর্তমান কেয়ারটেকার সরকার ক্ষমতা নেয়ার পর সরিয়ে দিয়েছিল। ফাকা রাম্তা পেয়ে প্রায়ই বেগুনবাড়ী থেকে হেটে ফার্মগেট যেতাম। ব্যায়াম হতো । শরীর, মন দুটোই ভালো থাকতো। এখন রাস্তা দখল করে নিয়েছে ট্রাক -রিক্সা।
৬. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৪

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: নূরে আলম,
ধন্যবাদ।
ভাষার শুদ্ধতা বলে আসলে কিছু নাই। ভাষা প্রতিদিন চেঞ্জ হইতেছে। ভাষারে আটকে রাখতে চাইলে শুদ্ধ ভাষা চর্চার দরকার আছে বটে। কিন্তু ভাষাকে চলতে দেয়া দরকার নিজের মতো করে। এইটা আমার মত। আপনার মত নিরন্তরে বাঞ্চা করি।
৭. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৫

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: ঝড়ো হওয়া,
ধন্যবাদ।
শরিফ রনি,
আপনার শরীর ও মন এরা আর ভার থাকতে দিল না।
৮. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৯

comment by: নূরে আলম বলেছেন: মাহবুব মোর্শেদ ভাই, আপনার কথা ঠিক।
কিন্তু ভাষা নিয়ন্ত্রন করেন কারা?
আপনারা সাংবাদিকরা, তাই না?
পত্রিকার একটা নিউজে বা টিভির একটা অনুষ্ঠানে তো আর ‘হইতেছে, যাইছিলাম, করছিলাম’ ইত্যাদি ভাষা ব্যবহৃত হয় না।
আপনারা মিডিয়ার সাথে জড়িত ব্যক্তিরাই তো ভাষার একটা রূপকে ‘শুদ্ধ ভাষা’ বলে থাকেন।
তাই না?
কথাটা একটু ভেবে দেখার অনুরোধ রইল।
আমার ভাষায় আবার হার্ট হবেন না।
আমার ভাষা না চাইতেও কেন যেন রুঢ় হয়ে যায়।
আগে থেকেই তাই মাফ চেয়ে নিলাম।
৯. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:১৩

comment by: অনিশ্চিত বলেছেন: দুইজনেরই যুক্তি আছে। তয় ছোট কাগজ-ব্লগ-সাহিত্য ইত্যাদিতে ভাষা নিয়া পরীক্ষা-নিরীক্ষা করন যায়। সেইখান থিকা উতরাইলে হেইডারে আনুষ্ঠানিক ভাষায় ঢুকানো যায়। এর আগ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক মিডিয়া যেমন পাঠ্যবই, সংবাদপত্র, ইলেকট্রনিক মিডিয়া ইত্যাদিতে প্রচলতি শুদ্ধ ভাষা ব্যবহার করনই বোধয় বালা।
১০. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৪

comment by: দূরন্ত বলেছেন: আজকে ঢাকার আকাশ এতো কালো কেন? অনেকটা বামিংহামের সকালের মতো। অবশ্য প্রতিদিনই দুপুরে রৌদ্রজ্জ্বল দেখি।
১১. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৩৬

comment by: আনন্দময় বলেছেন: রোজার কারনে ব্লগে খুব একটা বসা হয়না,অাপনী অাপনার মত করে লিখে যান।এটা কোন পরীক্ষার খাতানা,অামাদের মত সাধারন মানুষদের পড়তে সমস্যা হয়না।
১২. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৫৬

comment by: শরীফ আবদুল্লাহ বলেছেন: বাহ দারুন। জ্যামে না পড়লে এভাবে হয়ত চোখে পড়ত না। ৫
১৩. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৫

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: নূরে আলম,
আপনার কথা বলার ভাষা তো রূঢ় মনে হইতেছে না।
আসলে পত্রিকার কাজ করা লোক আর নীতিনির্ধারণকারীদের মধ্যে তফাত আছে।
ফলে, ব্যক্তিগতভাবে আমরা যতই ভাষার সচলতার কথা বলি, কাজ সেই শুদ্ধভাষাতেই করতে বাধ্য হই।
১৪. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৭

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: অনিশ্চিত,
মিডিয়া, ব্যকরণ বই, স্কুল কলেজের ভাষাচর্চায় ভাষার উপকার হয় কি না ভাবা দরকার।
১৫. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৪০

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: দূরন্ত,
সারাদিন কিন্তু রোদ ছিল। হঠাৎ ওই সময়ই একটু মেঘ।
আনন্দময়,
ধন্যবাদ।
শরীফ আবদুল্লাহ,
ধন্যবাদ।
১৬. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৪২

comment by: খুশবু বলেছেন: সুন্দর ছবি ।
১৭. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৪

comment by: সোমেশ্বর অলি বলেছেন: আমাদের নাটকে এখন ‘ক্যাজুয়েল’ বলে ১টা ভাষা ব্যবহার হচ্ছে। অনেকটা সম্পাদনাহীনভাবেই তা আসছে। ১জন রিক্শাশ্রমিক যে ভাষায় কথা বলছে, এসব নাটকে ভার্সিটি পড়ুয়া স্টুডেন্টকেও দেখা যায় সেই ভাষায় কথা বলতে…
১৮. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৮

comment by: জুয়েল বিন জহির বলেছেন: মাহবুব ভাই, `ছবি তুলইন্যা’ অইলেন কবে থিকা??
১৯. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:১৮

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: খুশবু,
ধন্যবাদ।
অলি,
ক্লাস চেতনা নাই এদের?
জুয়েল,
যে রাঁধে সে কি চুল বাঁধে না?
২০. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:১৫

comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: নূরে আলম> মাহবুব মোর্শেদ ভাই এইখানে টিভি পর্দার কোন সংবাদ পাঠক না , অথবা কোন সুশীল সমাজের ড্রয়িং রুমেও বইস্যা নাই ।

যে গাছে যে ছাল লাগসই ! এই পোষ্টে এই ভাষাটাই মানায়া গেছে । ৫

২১. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:০৭

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: আরাশি,
সেটাই।
২২. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২০

comment by: যীশূ বলেছেন: মোবাইল ক্যামেরা? মডেল কি?
২৩. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:০২

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: এমপিফোর। টুটাফাটা।
 

নাওমি ক্লেইনের দি শক ডকট্রিন : দি রাইজ অফ ডিজাস্টার ক্যাপিটালিজম March 5, 2009

Filed under: Uncategorized — mahbub morshed @ 7:30 am

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:২৩

শেয়ার করুন: Facebook

যদি প্রশ্ন করা হয়, নাইন ইলেভেনের ষষ্ঠ বর্ষ পূর্তিতে অর্থাৎ ২০০৭ সালের ১১ সেপ্টেম্বরে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা কোনটি তবে হয়তো কিছুটা বিতর্ক উঠবে। কেউ হয়তো বলবেন, আমেরিকান জনগণের উদ্দেশে দেয়া ওসামা বিন লাদেনের বক্তৃতাই এবারের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়। কেউ বলবেন, বিন লাদেনের উত্তরে জর্জ বুশের দেয়া বক্তৃতার কথা। কিন্তু চিন্তাচর্চা বা অ্যাক্টিভিজমের জগতে কিংবা আরো মোটা দাগে বইয়ের জগতে সবচেয়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী কোনো ঘটনার কথা যদি বলা হয় তবে সবার আগে আসবে নাওমি ক্লেইনের নাম। সঙ্গে থাকবে তার নতুন প্রকাশিত বই দি শক ডকট্রিন : দি রাইজ অফ ডিজাস্টার ক্যাপিটালিজম। ১৮ সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত হয়েছে বইটি। কিন্তু ১১ সেপ্টেম্বরের আগে থেকে এটি নামি পত্রিকাগুলোতে আলোচনার শীর্ষে এসেছে। ১১ সেপ্টেম্বর এটি পেয়েছে বিশেষ কভারেজ। বহু আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে বইটির। নাওমির অনেক ইন্টারভিউ প্রকাশিত হয়েছে। বই নিয়ে নানা মুনির নানা মত। কিন্তু সবাই স্বীকার করে নিয়েছেন নাওমির দৃষ্টিভঙ্গির বিশেষত্ব এবং তার বিশ্লেষণের প্রখরতার কথা।
১৯৭০ সালে জন্মগ্রহণ করেছেন লেখক, সাংবাদিক ও অ্যাক্টিভিস্টি নাওমি। তার বয়স এখন সাকুল্যে ৩৭। এ বয়সেই তিনি গ্লোবাল ইন্টেলেকচুয়াল পোলে ১১ তম প্রভাবশালী বুদ্ধিজীবীর স্থান অধিকার করেছেন। নোয়াম চমস্কি, উমবার্তো একো, সালমান রুশদির পাশাপাশি স্থান পেয়েছে তার নাম। নাওমির জন্ম কানাডার মন্ট্রিয়লে। তিনি দি ন্যাশন, গ্লোব অ্যান্ড মেইল, দিস ম্যাগাজিন ও গার্ডিয়ান পত্রিকার কন্ট্রিবিউটর।
দি শক ডকট্রিন নাওমির তৃতীয় বই। তার প্রথম বই নো লোগো প্রকাশিত হয়েছিল ২০০০ সালে। কেউ এ বইটিকে বলেন অ্যান্টি গ্লোবালাইজেশন মুভমেন্টের ম্যানিফেস্টো কেউ বলেন বাইবেল। অ্যান্টি-গ্লোবালাইজেশন অ্যাক্টিভিস্টদের প্রতিবাদের মুখে যে ডাবলিউটিও কনফারেন্স ব্যর্থ হয় তার এক মাস পর এ বইটি প্রকাশিত হয়। বইটি বড় কর্পরেটদের কার্যক্রমকে ব্যাখ্যা করেছে এবং ব্র্যান্ড নির্ভর ক্রয় সংস্কৃতির কড়া সমালোচনা করেছে। গরিব দেশগুলোর শ্রমিকদের কিভাবে ঠকিয়ে এ কর্পরেটগুলো বিশাল মুনাফা করছে তার বিস্তারিত বিবরণও আছে বইটিতে। বইটিতে বিখ্যাত ব্র্যান্ড ও কর্পরেট নাইকির বিশেষ সমালোচনা করা হয়েছিল। আর এ সমালোচনার জবাবও দিতে বাধ্য হয়েছিল নাইকি কোম্পানি।
২০০২ সালে তিনি প্রকাশ করেন ফেঞ্চেস অ্যান্ড উইনডোজ নামে আরেকটি বই। অ্যান্টি গ্লোবালাইজেশন মুভমেন্টের পক্ষ থেকে তিনি বইটি লেখেন।
এবার বের হলো তার তৃতীর বই দি শক ডকট্রিন : দি রাইজ অফ ডিজাস্টার ক্যাপিটালিজম। ডকট্রিন শব্দটি ইউনাইটেড স্টেটসের রাজনীতিতে খুব পরিচিত শব্দ। শব্দটির অর্থ মতবাদ, বিশ্বাস, রাজনৈতিক দলের তত্ত্বগত শিক্ষা। মনরো ডকট্রিন, নিক্সন ডকট্রিন বা বুশ ডকট্রিন খুব আলোচিত শব্দ। শব্দগুলোর মাধ্যমে ওই সময়কার ইউএস সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি ও নীতি, বিশেষ করে পররাষ্ট্র নীতির বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে বোঝা যায়। নাওমি এই সময়টিকে চিহ্নিত করতে চান আঘাত বা আক্রমণের ডকট্রিন হিসেবে। তিনি ইতিহাসের নানা ঘটনার ধারাবাহিকতা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করেছেন। বর্তমান পরিস্থিতিকে ইতিহাসের গতিপথের সঙ্গে তুলনা করেছেন। দেখিয়েছেন কিভাবে গ্লোবাল ক্যাপিটালিজম দ্রুত ধ্বংসাত্মক পথে এগিয়ে গেছে। লেনিনসহ মার্কসিস্ট তাত্ত্বিকরা সাম্রাজ্যবাদকে পুজিবাদের সর্বোচ্চ বিকশিত পর্যায় হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে, গ্লোবালাইজেশনের প্রেক্ষাপটে পুজিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করার প্রয়োজন পড়েছে। ফলে তাত্ত্বিকভাবে বিষয়গুলোকে নতুন চোখে দেখা শুরু হয়েছিল। নাওমি ক্লেইন বিষয়টির প্রতি নতুন আলো ফেললেন। সাম্প্রতিক গ্লোবাল পুজিবাদকে ধ্বংসাত্মক পুজিবাদ নাম দেয়ার মধ্যে চমক আছে। কিন্তু এ চমকের পেছনে আছে নাওমির গবেষণা, বিশ্লেষণ ও উপস্থাপনার দক্ষতা। ফলে, ডিজাস্টার ক্যাপিটালিজম একটা নতুন ফেনোমেনা হিসেবে গৃহীত হয়েছে।
নাইন ইলেভেনের ঘটনার স্থানটিকে বলা হয় গ্রাউন্ট জিরো। নাওমি ওই বছরটিকে চিহ্নিত করেছেন ইয়ার জিরো হিসেবে। নাইন ইলেভেনের পর কিভাবে গণতন্ত্র, জনকল্যাণ ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির রূপকথাগুলো যুক্তরাষ্ট্রের নীতি থেকে হারিয়ে গিয়ে স্রেফ সিকিউরিটি বা নিরাপত্তাই প্রধান বিবেচনার বিষয়ে পরিণত হলো তার একটা বিস্তারিত প্রেক্ষাপট তিনি বর্ণনা করেছেন। তিনি দেখিয়েছেন বাজার দখল ও বাজার বিস্তারের জন্য কিভাবে থিঙ্ক ট্যাঙ্কের বদলে ব্যাটেল ট্যাঙ্কের সাহায্য নেয়া হচ্ছে। ইরাকের উদাহরণ এসেছে খুবই প্রাসঙ্গিকভাবে। দেখিয়েছেন নানা ধরনের পুজিবাদের মধ্যে কিভাবে সংঘর্ষগুলো চলছে। চায়নায় পুজিবাদের বিকাশ, সেখানে সামাজিক শ্রেণীগুলোর মধ্যকার ক্রমবর্ধমান বৈষম্য নিয়ে, সেখানে তথ্য-প্রযুক্তির বিকাশ নিয়ে আলোচনা করেছেন। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির প্রায় পুরোটাতেই মনোযোগ দিয়েছেন নাওমি। ফলে, এর সঙ্গে পাঠক একমত হন বা না হোন, এটি যে সার্বিক বিশ্লেষণের একটি উদ্যোগ তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
নাওমির বিশ্লেষণের কেন্দ্র আমেরিকার অভ্যন্তরীণ ও বাইরের নীতি। তিনি বহু তথ্য-উপাত্ত ও রেফারেন্সের সাহায্যে আমেরিকার বর্তমান শক ডকট্রিনকে চিহ্নিত করেছেন। সাংবাদিক হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েছেন।
৫৭৬ পাতার এ বইটি প্রকাশ করেছে মেট্রপলিটন বুকস।
নাওমির এ বইটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে এ ঠিকানায়।

[wjsK=http://www.naomiklein.org/ main ]নাওমি ক্লেইনের ওয়েবসাইট।
[wjsK=http://books.guardian.co.uk/shockdoctrine ]বইয়ের কিছু অংশ পড়া যাবে এ লিঙ্ক থেকে।

নাওমি ক্লেইনের ইন্টারভিউ

ইরাক বিষয়ে কথা বলি। ইরাকে আমেরিকার জড়িয়ে পড়ার ঘটনাকে আপনি মিডল ইস্টে শান্তি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ভুল পদক্ষেপ হিসেবে দেখেন না। একটা পাগলা হাস ধ্বংসাত্মক অস্ত্রের খোজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে এভাবেও দেখেন না। আপনি একে নতুন বাজার খোজার বৈধ একটি চর্চা হিসেবে এবং কর্পরেটের নতুন মুনাফার একটি পদ্ধতি হিসেবে দেখেন।

আমার মতে, এটা খুব জটিল বিষয়। পৃথিবীকে শিক্ষা দেয়ার একটা সংগঠিত পদ্ধতি : দেখো, ‘আমেরিকার কথা না শুনলে কি হয়’… গালফ ওয়ার নতুন করে শুরু করার মজা। আসল ঘটনা হলো, আমেরিকার সামরিক বাহিনী গত ১২ বছর ধরেই ইরাকের সঙ্গে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলছে। সবকিছুই সাজানো ছিল। আর ছিল তেল। আমি এটাও ভাবি যে, এমন লোকের অস্তিত্বও আছে যারা সত্যি বিশ্বাস করে যে, তারা মিডল ইস্টে একটি সত্যিকারের মডেল স্থাপন করতে যাচ্ছে। কখনো কখনো এটা একটা আদর্শবাদী ধারণা হিসেবেও সামনে আসে। ইরাক এমন এক রাষ্ট্র হতে পারে, যা হবে মুক্ত বাজার গণতন্ত্রের একটা উদাহরণ। আর এটি পুরো অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত হবে। এ আইডিয়ার একটা লক্ষ্য আছে। যে সহিংসতা ইরাককে পেচিয়ে ধরেছে তা একই সঙ্গে ওই আইডিয়ারও সহিংসতা।

আপনি বইয়ে স্বীকার করেছেন, নতুন আইডিয়ার ক্ষেত্রে সুযোগ সন্ধানী চরিত্র খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। হোক তা বাজারের পক্ষের বা বাজারের বিরুদ্ধ কিংবা অন্য কোনো আদর্শের। সুযোগ কাজে লাগাতে এটা ধ্বংস ডেকে আনে, এমনকি ধ্বংসকর্মকে উসকে দেয় নতুন সুযোগ তৈরি করার জন্য, বিপ্লবী মার্কসিজমেও একই ছদ্মবেশ দেখা যায়…।

আমি সব সময়ই এ আইডিয়াকে ঘৃণা করেছি। বামপন্থী আলাপে কেউ না কেউ থাকেই যে মাইকের কাছে গিয়ে বলবে, কোনো কিছু ঘটার আগে কি পরিস্থিতির আরো খারাপের দিকে যাওয়ার দরকার নেই? আমি এ লোকদের কথা মেনে নিতে পারি না। কারণ যে মূল্যবোধকে আমরা কামনা করি সেটা হলো মানবিক মূল্যবোধ। আর এগুলো হলো পরিষ্কার অমানবিক আইডিয়া। এটা এক অনর্থ কামনা। একটা ধ্বংসের জন্য বসে থাকা যা কি না মানুষের মধ্যে জাগরণ ঘটাবে।

এভাবেই তো রাজনীতি কাজ করে। তাই না?

এটা ভালো হতে পারে। আপনি জানেন, আমি বইটি লিখেছি কারণ আমাদের ইতিহাসকে আরেকটু ভালো করে জানতে হবে। আমি ভাবি, আরো ধ্বংসকর্ম সংঘটিত হতে পারে। সব রকমের পরিসংখ্যান থেকেই জানা যায়, আমরা আরো ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হতে যাচ্ছি। আরো পঞ্চম ক্যাটেগরির হ্যারিকেন আঘাত হানতে পারে। আবারো সন্ত্রাসী হামলা হতে পারে। এগুলো কখনো আমাকে দিয়ে এ কথাটা বলিয়ে নেয় না। কোনো আনন্দ হয় না আমার। বরং আমি ভাবি, একটা খারাপ সময়ে আছি আমরা। আমি বইটি লিখেছি, কারণ আমি চাই লোকে আরো বেশি করে এ দুর্ঘটনাগুলোকে প্রতিরোধ করতে শিখুক। আমি এটাকে খেলা হিসেবে দেখি না। আমি ভাবি, যখন আমরা ইতিহাসকে জানি এবং এ-ও জানি যে, এ কৌশলগুলো কিভাবে কাজ করে তখন আমাদের খুব বেশি ব্যবহার করা সম্ভব নয়। ব্যবহারকারী ডানপন্থী হোক কি বামপন্থী।

কোনো কোনো দেশে পুজিবাদ একেবারেই সফল হয়নি আপনি কি এটা খেয়াল করেছেন? যেমন আয়ারল্যান্ড। আপনি যদি জনসংখ্যার দিকে তাকান তবে দেখতে পাবেন গত ১০-২০ বছরে অনেক কম মানুষ চূড়ান্ত দারিদ্র্যের মধ্যে আছে।

আমি ভিন্নমত প্রকাশ করি। এ পরিসংখ্যানগুলোর অধিকাংশই চায়না ও ইনডিয়ার। যে দেশগুলো দ্রুত শহরায়নের দিকে এগোচ্ছে। একটা ডলারের কি মানে যখন আপনি একটা খামারে বাস করেন, নিজের খাবার নিজে উৎপাদন করেন আর যথেষ্ট পানি আপনার ব্যবহারের জন্য আছে। আর সেই ডলারটির দাম দিল্লির কাছের সেই বস্তিতে সম্পূর্ণ আলাদা। কিন্তু অবশ্যই সেখানে সাফল্য এসেছে। একটা পুজিবাদী রাষ্ট্রে বসবাস করাটা চমৎকার একটা ঘটনা। আমি এর থেকে লাভবান হই, আপনি হন। কিন্তু আমাদের এটা বিশ্বাস করতে বাধ্য করা হচ্ছে যে, এ উপকারটা আমরা অব্যাহতভাবে পাবো না। আর এ জন্য যারা এ সুবিধা চায় তাদের পথ রুদ্ধ করে দাড়াতে হবে। ফলে এখানে নানা অমানবিক অর্থনৈতিক আইনের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। চিকিৎসা ও জনকল্যাণের ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে।

সূত্র : জেড নেট
ভূমিকা ও অনুবাদ : মাহবুব মোর্শেদ

প্রকাশ করা হয়েছে: অনুবাদ বিভাগে ।

<!––>

  • ২৬ টি মন্তব্য
  • ২১৭ বার পঠিত,
Send to your friend Print

রেটিং দিতে লগ ইন করুন

পোস্টটি ৬ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

১. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:২৭

comment by: সাইমুম বলেছেন: ৫
২. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:২৮

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: ছবি : নিজের লেখার টেবিলে নাওমি।
৩. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩০

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: থ্যাংকস সাইমুম ভাই।
৪. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩৫

comment by: জেন সাধু বলেছেন: ভালো।
৫. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩৯

comment by: সুন্দর সমর বলেছেন: বইটার একটা ই কপি করে ফাইল শেয়ারিং সাইটগুলোতে দিয়ে দিলে জনতা উপকার হবে। এখানে কবির ভাষায় বলতে হয়
‘কে আছো জোয়ান হও আগুয়ান’….
৬. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৪১

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: সেইটা কি বেআইনি হবে না?
৭. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৪৭

comment by: সুন্দর সমর বলেছেন: কে বলেছে তা বে আইনি হবে?আরে ভাই আমরা যে সব প্রোগ্রাম, উইন্ডোস, এমএস ওয়ার্ডস প্রভৃতি, ব্যবহার করি তা কি আপনার ভাষায় কথিত ‘বেআইনি’ নয়?আর একবার ওসব সাইট ঘুরে দেখুন নানা মজার মজার জিনিস পাবেন।
৮. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৪৮

comment by: ঢালী! বলেছেন: মামো. এতো আইনের প্যাঁচ দেখাইও না । থাকলে ছাইড়া দাও ।
৯. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৪৯

comment by: রকি ভাই বলেছেন: অচাদারন :০
১০. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫৭

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: জন সাধু,
ধন্যবাদ।
সুন্দর সমর,
তাইলে যার কাছে আছে সে দেউক।
রকি,
বানান ঠিক করেন।
ঢালী!,
তুমি খুঁজো।
আমি এইটুকুই জানি।
http://books.guardian.co.uk/shockdoctrine
১১. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০২

comment by: চানাচুর বলেছেন: সুন্দর।
১২. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০৪

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: চানাচুর,
থ্যাংকস।
১৩. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:১৫

comment by: রকি ভাই বলেছেন: এ বিষয়ে আরো জানতে পড়ুন
১৪. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৩

comment by: পুতুল বলেছেন: ৫
১৫. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:১১

comment by: বীথিলতা বলেছেন: …প্প্ব্লপ্প্বজ্জপ্প্বগ্গ…প্প্ব্লপ্প্মপ্প্বেক্ষ…প্প্ব্লপ্প্বজ্জপ্প্বক্ষ্মপ্প্ম্ক…
১৬. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:০৫

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: রকি,
আপনার কপালে দুঃখ আছে।
পুতুল,
ধন্যবাদ।
বীথিলতা,
কী বুঝাইতে চাইলেন?
১৭. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:১৩

comment by: রিজভী বলেছেন: রকি ভাই এর কমেন্টে খুব তথ্য বহুল এক লেখার সন্ধান পেয়েছি!
১৮. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৪৬

comment by: মাঠশালা বলেছেন: ‘এ বয়সেই তিনি গ্লোবাল ইন্টেলেকচুয়াল পোলে ১১ তম প্রভাবশালী বুদ্ধিজীবীর স্থান অধিকার করেছেন।’রেটিং কিভাবে হয় ও কে বা কারা কিসের ভিত্তিতে করে? ৫
১৯. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৩২

২০. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:২৮

comment by: বীথিলতা বলেছেন: ….লিখেছিলাম, বাহ…বেশ…ভূমিকাটা ভালো হয়েছে….
এরকম hieroglyphics হয়ে গেলো কেনো কে জানে!
২১. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:০৬

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: অ।
ধন্যবাদ।
২২. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:২৬

comment by: মাঠশালা বলেছেন: ঃযধহশং
২৩. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:২৮

comment by: মাঠশালা বলেছেন: ধন্যবাদ, লিংক এর জন্য
২৪. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৫১

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: ওয়েলকাম।
২৫. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৩৯

comment by: শামীম আহেমদ বলেছেন: আমি বিবিসিতে আর আল-জাজিরাতে লেখিকার সাক্ষাতকার শুনেছি। তারপরও ভালো লাগলো।
২৬. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৩৯

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: অ্যামি গুডম্যানের নেয়া সাক্ষাৎকারটা শুনছেন?
এর একটা অংশ আমার কাছে আছে প্রিন্ট ভার্সন।
 

প্রথম আলো March 5, 2009

Filed under: Uncategorized — mahbub morshed @ 7:29 am

২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৩

শেয়ার করুন: Facebook

১.
নিজের ধর্মানুভূতির ওপর আস্থা নাই বিধায় কার্টুন-কৌতুক বিষয়ে এক আলেমের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। প্রথমে শিওর হয়ে নিলাম উনি কার্টুনটা দেখেছেন এবং কৌতুকটাও পড়েছেন কি না। উনি বললেন দেখেছেন ও পড়েছেন। বললাম, তাহলে বলেন। তিনি বললেন, সমস্যা কিছু নাই। সঙ্গে একটা ইতিহাস থেকে একটা ঘটনা উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করলেন। আমাদের মহানবী তার প্রিয় এক সাহাবাকে আবু হোরায়াররা বলে সম্বোধন করতেন। আরবি ভাষায় আবু মানে পিতা আর হোরায়রা মানে বিড়াল। কথিত আছে, হয়রত আবু হোরায়রা (রা.) বিড়াল ভীষণ পছন্দ করতেন। এজন্য মহানবী তাকে এই নাম দিয়েছিলেন। পরবর্তীকালে ওই সাহাবী আবু হোরায়রা নামেই মুসলিম সমাজে পরিচিত হয়েছিলেন।
তার মন্তব্য শুনে একটু থমকে গেলাম। যেখানে বিড়ালের আগে মোহাম্মাদ বসানোর কারণে বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বলে খবর আসছে সেখানে একজন ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি এরকম সহনশীল উদাহরণ কীভাবে দিলেন?
আমার জ্ঞানে যতটা কুলায় তাতে হযরত মুহম্মদ (সা.)-এর নামের প্রসঙ্গ আসে এমন স্থানে কটুক্তি করা অনুচিত। ব্যাড টেস্টের পরিচায়ক। কিন্তু মুসলমানদের অনেকেই নিজের নামে মুহম্মদ শব্দটি ব্যবহার করেন। এই শব্দের অর্থ প্রশংসিত। নিজের নামে মুহম্মদ শব্দ ব্যবহার করে মুসলমানরা গর্বিত হন। নামে এই শব্দ ব্যবহারে উপমহাদেশের মুসলমানরা একটু এগিয়ে। আরব, তুরস্ক, ইরাক, ইরানে নামের আগে বাধ্যতামূলকভাবে মুহম্মদ ব্যবহারের প্রচলন নেই। সেখানকার পরিচিত নামগুলো খেয়াল করলেই বিষয়টি সহজেই বোঝা যাবে। কিন্তু বাংলাদেশে এমন মুসলিম খুঁজে পাওয়া ভার, যার নামে আগে বাবা-মা মুহম্মদ শব্দটি যুক্ত করেননি। অথচ এটি কোনো নিয়ম বা অনুশাসন অনুসারে করা হয় না। এটি কেন এদেশে এভাবে চালু হলো তা পেছনে একটি ঘটনার কথা আমি জানি। কিন্তু এই মুহূর্তে রেফারেন্স নেই বলে উল্লেখ করতে পারছি না। শুধু এইটুকু বলাই যথেষ্ট যে, নামের আগে মুহম্মদ বা মুছাম্মত ব্যবহার করা কোনো ইসলামী বিধান নয়। কিন্তু অনেককেই বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে দেখি। সৌদি আরবের নামের উদাহরণ দিলেও তারা থামতে চান না।
বিষয়টি নিয়ে লোকমুখে কিছু কৌতুক প্রচলিত আছে। শিবিরের পত্রিকায় এই ধরনের কৌতুক লোকমুখে প্রচলিত কৌতুক থেকেই এসেছে। আলপিনেও এসেছে সেখান থেকেই। লোকমুখে অনেক কথাই প্রচলিত। কখনো সেটার মধ্যে বর্ণবাদ, কখনো ধর্মবিদ্বেষ, কখনো প্রতিবাদ থাকে। সেটা লোকমুখে যতটা মানায় মেইনস্ট্রিম মিডিয়াতে প্রকাশ করলে ততোটাই অরুচিকর মনে হয়। আলপিনের ক্ষেত্রে সেই ব্যাড টেস্টের প্রকাশ ঘটেছে। এর বেশি কিছু হয়েছে বলে মনে হয়নি।
কিন্তু প্রসঙ্গটার তাতক্ষণিক ব্যাখ্যা কর একে যেভাবে ডেনমার্কের কার্টুনের মতো সিরিয়াস ব্যাপারে পরিণত করা হয়েছে তাতে ভীষণ বিস্মিত হয়েছি।
হুজুরদের ধর্মানুভূতির প্রকাশ এইভাবেও তাহলে ঘটতে পারে?
ব্যাপারটাকে মুসলমানদের স্বাভাবিক ধর্মানুভূতির প্রতিক্রিয়া হিসাবে বিচার করার উপায় নাই। ব্যক্তিগতভাবে আমি যে মুসলমানদের সঙ্গে আলাপ করেছি, তাদের কারো ধর্মীয় অনুভূতি আহত হয়েছে বলে মনে হয়নি। এমনকি কাউকে ক্ষুব্ধও দেখিনি।
তারমানে এ ঘটনার পেছনে একটা রাজনীতি আছে। সেটা ধর্মীয় ব্যাপার হলেও রাজনীতি বটে। এর সঙ্গে মিছিল মিটিং, প্রচারণা ও প্রতিবাদের সম্পর্ক আছে।
২.
ওয়ান ইলেভেনের পর প্রথম আলো পত্রিকাটি পড়লে মনে হয়েছে বারবার, যে ফুকোওমা যে ইতিহাসের অবসানের কথা বলেছিলেন তা বাংলাদেশে ঘটে গেছে। এইদেশের নতুন ইতিহাসের সূচনা ঘটেছে। বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জামাত, কমিউনিস্ট পার্টি, আমলা, ব্যবসায়ী সবার দিন শেষ। এবার এসেছে নতুন দিন। একটি পত্রিকা, যা কিনা এই সমাজের বাইরের কোনো বিষয় নয়। যা এই সমাজের অংশ হিসেবে নিজেকে গণমাধ্যম দাবি করে টিকে আছে, বহুল প্রচার পেয়েছে। বিদ্যমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় এইখানকার একটি শিল্পপতি ব্যবসায়ী গ্রুপের ইনভেস্টমেন্টের ভিত্তিতে এটির প্রকাশনা চলে। এই বাজারে বিক্রি হয়ে যে মুনাফা করে তার পক্ষে এ সমাজে কাউকে কেয়ার না করে চলা কিভাবে সম্ভব?
আসলে কি প্রথম আলো কাউকে কেয়ার করে না? কাকে কেয়ার করে? কার কথা শোনে? কার স্বার্থ দেখাশোনা করে?
একদিকে বিশাল পাঠকগোষ্ঠী, ব্যাপক জনপ্রিয়তা অন্যদিকে আনপ্রেডিক্টেবল স্বার্থ। প্রথম আলোর অবস্থান কোথায়?
লোকমুখে একটা কথা আছে, ধরাকে সরা জ্ঞান করা। ধরা মানে পৃথিবী আর সরা মানে মাটির পাত্র। পৃথিবীকে মাটির পাত্র জ্ঞান করা ঠিক না। আর দেশটাকে, এর রাজনীতিকে, এর সমাজ অর্থনীতিকে কয়েকটা গোলটেবিল বৈঠক মনে করা ঠিক না।
আমি মন থেকে চেয়েছি, এইবার অন্তত প্রথম আলো হুজুরদের রাজনীতি থেকে রক্ষা পাক। আরও একটা মিডিয়া হাউস বন্ধ না হোক। কিন্তু একই সঙ্গে এটাও মনে হয়েছে, প্রবল পরাক্রমশালী প্রথম আলোও কত অসহায়। এই বিশাল প্রতিষ্ঠানের ভেতরেও কত ক্ষমা প্রার্থনার অবসর। কত ভয়, কত আর্তনাদ।
হুজুররা খারাপ রাজনীতি করেছে। কিন্তু প্রথম আলো এর চেয়ে বেশি খারাপ রাজনীতি করেছে ও করবে। বায়তুল মোকাররমের খতিব যখন প্রথম আলোকে মাফ করে দিলেন তখন মনে হলো বাংলাদেশ ইতিহাসের অবসানের কাল থেকে ফিরতে শুরু করেছে।
কিন্তু এত ভয় কেন তাদের মনে?
কীসের ভয়?
কেন ভয়? হঠাত কেন এত ভয় হয়?

৩.
যারা প্রথম আলোর পক্ষে দাঁড়িয়েছেন তারা অবশ্যই ধন্যবাদ পাবেন। কারণ তারা ধর্মীয় রাজনীতির বিপদজনক দিকটির বিরদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। কিন্তু তারা নিশ্চয়ই প্রথম আলোর স্ট্যাটেজি-ট্যাকটিকসসহ মোল্লাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ান নাই। প্রথম আলোর বিপদজনক প্রচারণা কৌশলের পক্ষে দাঁড়ান নাই। যারা এ দফা প্রথম আলোর পক্ষে দাঁড়িয়েছেন তাদের ব্যাপারটা ভাবতে হবে। বুঝতে হবে, সিভিল বিপ্লবের মুখপত্রটি দেশের মতামতের কী উন্নয়ন ঘটিয়েছে? তাদের অবদান কী?
আজকে দেখলাম, সিপিবি আর বাসদ মোল্লাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে। এই কাজে তারা রিস্ক নিয়ে এগিয়ে এসেছেন। কিন্তু প্রথম আলোর কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কোনো কথা ইতিপূর্বে বলেন নাই কেন?
আমাদের সম্পাদকরা সহমর্মিতার সবচেয়ে বড় অবদান রেখেছেন। মাঠে নমে প্রথম আলোকে বাঁচানোর জন্য ভূমিকা রেখেছেন। এখন প্রশ্ন, কোন পত্রিকার বা টিভি চ্যানেলের কোন বিপদের সময় প্রথম আলো বা তার সম্পাদক অন্য কারো পাশে এসে দাঁড়িয়েছে? ভবিষ্যতে এরকম কোনো সম্ভাবনা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাই বা কতটুকু?

৪.
প্রথম আলো ক্ষমা প্রার্থনার মধ্য দিয়ে কী বাঁচালো তাও আমাদের মনে রাখতে হবে। তারা যা বাঁচালো তা হলো বড় ইনভেস্টমেন্টের একটা লাভজনক প্রজেক্ট। আর সবকিছুই তারা ছেড়ে দিল। কিছুই তারা ধরে রাখার চেষ্টা করলো না।

প্রকাশ করা হয়েছে: ডায়েরি বিভাগে ।

<!––>

  • ৭০ টি মন্তব্য
  • ৮৬২ বার পঠিত,
Send to your friend Print

রেটিং দিতে লগ ইন করুন

পোস্টটি ২৪ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

১. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৮

comment by: মুকুল বলেছেন: *****
২. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৫০

৩. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৫১

comment by: গিয়াস আহমেদ বলেছেন: অসাধারণ মাহবুব। বিশুদ্ধ বয়ানের জন্য ধন্যবাদ। আপনার ভাবনা ও প্রকাশের সবটুকুর সাথে পুরো একমত- জানবেন।
৪. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৩

comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ভাল লাগলো , অন্যদৃষ্টিকোণ থেকে লিখেছেন । অবাক হয়েবি যখন অন্যদের প্রতিবাদের কথায় কেবল ইসলামকে হেয় করাই প্রাধান্য পেয়েছে ।
আপনার পোস্টে প্রথমবারের মত নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে যা শুনতে চাইছিলাম , তার প্রতিধ্বনি শুনছি ।
ধন্যবাদ ………..৫
৫. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৩

comment by: নাঙ্গাবাবা বলেছেন: ৫ ই দিলাম। খুশি??
আমি একমত।
৬. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৩

comment by: চতুরভূজ বলেছেন: ৫
চমত্কার! একটি মোহমুক্ত যৌক্তিক বিশ্লেষন। ব্যাপারটা আসলেই ভাবতে হবে যে এতে সুবিধা আর প্রচারণা কাদের হয়েছে সবচেয়ে বেশি? ঘটনার গভীরে গিয়ে এসবের বিশ্লেষন জরুরী। আমরা কেবল চোখে যা দেখি তা নিয়েই লাফাতে থাকি কিন্তু এর সাথে কি পরিমান জটিলতা বা করও কুটিল বুদ্ধি জড়িত সেটা ভাবতে চাইনা, ফলস্বরুপ অস্থিশীল পরিস্থিতি আর একপক্ষের অভাবনীয় সাফল্য। সেলুকাস!
৭. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৪

comment by: মুকুল বলেছেন: কি মুশকিল বোঝেনা কেন! আরে ৫ তারকা দিয়েছি, ৫! @ মাহবুব মোর্শেদ
৮. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৪

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: গিয়াস ভাই,
অনেক ধন্যবাদ।
আপনি কেমন আছেন?
নিয়মিত লেখেন না কেন এখানে?
৯. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৬

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: মেহরাব শাহরিয়ার,
ধন্যবাদ।
নাঙ্গাবাবা,
ধন্যবাদ।
১০. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৭

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: চতুরভূজ,
ধন্যবাদ।
মুকুল,
এইবার বুঝছি।
১১. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০২

comment by: গিয়াস আহমেদ বলেছেন: মাহবুব, ভালো আছি। আপনি? ভালো আছেন আশা করি। আপনার লেখাটা পড়ে বড় ভালো লাগল। লিখব…
১২. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০৩

comment by: হমপগ্র বলেছেন: দারুন লেগেছে।
১৩. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০৩

comment by: অন্যরকম বলেছেন: “প্রথম আলো ক্ষমা প্রার্থনার মধ্য দিয়ে কী বাঁচালো তাও আমাদের মনে রাখতে হবে। তারা যা বাঁচালো তা হলো বড় ইনভেস্টমেন্টের একটা লাভজনক প্রজেক্ট। আর সবকিছুই তারা ছেড়ে দিল। কিছুই তারা ধরে রাখার চেষ্টা করলো না। “

আসল কথাটা বলে ফেলছেন।

১৪. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০৪

comment by: সুন্দর সমর বলেছেন: ভাল হয়েছে।
১৫. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০৬

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: গিয়াস ভাই,
ভাল (!) আছি। ধন্যবাদ। অপেক্ষায় থাকলাম।
হমপগ্র,
ধন্যবাদ।
১৬. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০৭

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: অন্যরকম,
ধন্যবাদ।
সুন্দর সমর,
ধন্যবাদ।
১৭. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:১৪

comment by: মিরাজ বলেছেন: সত্য উচ্চারনের জন্য – ৫।

আমার মতে কার্টুনটি আমাদের সমাজের জন্য যতটা না ক্ষতিকর ছিল, প্রথম আলোর মেরুদন্ডহীন আচরণ তার চেয়েও বেশী ক্ষতিকর।

১৮. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:১৯

comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: নির্মোহ নিরপেক্ষ দৃস্টিভঙ্গি।
ব্যাক্তি নিরপেক্ষ না-হতে পারেন কিন্তু সুবোধসম্পন্ন ব্যাক্তি নিরপেক্ষ সুবিচার করতে পারেন।
ধন্যবাদ এবং ৫
১৯. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:২৪

comment by: আরণ্যক যাযাবর বলেছেন: লেখার ১ ও ২ আমরা সবাই বুঝি।
খালি বোঝেনা জননাঙ্গে বুদ্ধি রেখে চলা, কতিপয় সুবিধাবাদী টুপি আর দাড়ির মুখোশ পরা শয়তান। (আমি টুপি ও দাড়ি কে গালি দিচ্ছি না, দিজ আর বিইং ইউটিলাইজড, য়্যু অল নো দ্যাট ওয়েল)

৩ ও ৪ অংশ পড়ে মনে হয়েছে, ব্যক্তি ও ব্লগার মাহবুব মোর্শেদের থেকে কোন একটি দৈনিকে কর্মরত মাহবুব মোর্শেদ বড় হয়ে উঠেছেন।

সে যাকগে, গুড পয়েন্ট অব ভিউ।

২০. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:২৮

comment by: রিজভী বলেছেন: ৫ দিলাম।
২১. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:২৮

comment by: রকি ভাই বলেছেন: একমত, কার্টুন রাজনীতির পক্ষ-বিপক্ষ নিয়ে অনেক লেখার মধ্যে আমার মতে এটাই সেরা, প্রিয় পোস্টে যোগ করলাম, ৫
২২. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:২৯

comment by: শ্রীমতি বলেছেন: রবীন্দ্রনাথের লেখা জাতীয় সঙ্গীত বদলাতে হবে… কি বলেন মুমিন ভাইয়েরা! আওয়াজ দিয়েন… এর পর তোমাদেরও আলখেল্লা পরিতে হইবে, নারীদের বোরখাপরা এবং………..
২৩. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৩১

comment by: আহমেদুর রশীদ বলেছেন: ধন্যবাদ।চমতকার বিশ্লেসন।
তবে প্রথম অালোর সার্ভিসটা শেষ পর্যন্ত কাদের অনুকুলে যায় কিংবা যাচ্ছে সেটাই দেখার ব্যাপার।
কারন বিবেক তখন অসহায় বোধ করে।
২৪. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৩১

comment by: রাগ ইমন বলেছেন: ভেইয়া ! সবসে বড়া রুপাইয়া !
২৫. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৩১

comment by: রকি ভাই বলেছেন: আরণ্যক যাযাবর@ব্যক্তি ও ব্লগার মাহবুব মোর্শেদের থেকে কোন একটি দৈনিকে কর্মরত মাহবুব মোর্শেদ বড় হয়ে উঠেছেন- কথাটি সমর্থনযোগ্য নয়, ৩ এবং ৪ নং পয়েন্টও যুক্তিযুক্ত
২৬. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৩১

comment by: বিপ্লব রহমান বলেছেন: …’তারা যা বাঁচালো তা হলো বড় ইনভেস্টমেন্টের একটা লাভজনক প্রজেক্ট। আর সবকিছুই তারা ছেড়ে দিল। কিছুই তারা ধরে রাখার চেষ্টা করলো না।’…

সহমত। এতে মৌলবাদী গোষ্ঠি নতুন করে আস্কারা পাবে, সন্দেহ নেই।

অন্যদিকে প্রথম আলোর মতো মিডিয়া মহিরুহ যখন পদলেহন করে, তখন পুরো মিডিয়া জগতেরই ভিত নড়ে যায়।…

সরকার আবারো পুরো জাতির সামনে নগ্নভাবে প্রকাশ করলো, তারা আর যা-ই হোক, কোনোভাবেই মিডিয়াবান্ধব নয়।

তো সিএসবি নিউজ, আজকের কাগজ, প্রথম আলো, সাপ্তাহিক ২০০০…নেকস্ট?

২৭. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৩

comment by: মুক্তাদীর আহমদ বলেছেন: ধন্যবাদ মাহবুব,লেখায় যুক্তি আছে । ভালো লাগলো । সময়োপযোগী লেখা।ইফতারের সময় হয়ে আসছে,তাই এ পর্যন্তই। ভাই , ভালো থাইকেন পারলে নামের আগে মুহাম্মদ শুরু কইরা দেন আর মতি ভাইরেও লাগাইতে কন।
২৮. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৩

comment by: সুইফট বলেছেন: চমতকার লেখেছেন। ধন্যবাদ। একই মত নিয়ে নিজস্ব পরিমণ্ডলে অনেক ওয়াজ করেছি। আপনি ব্লগে প্রকাশ করেছেন। খুবই ভালো লাগলো। আজকে পত্রিকার সার্কুলেশন বা সম্পুর্ণ ইনভেস্টমেন্ট বিপাকে না পড়লে মতিউর রহমান সাহেব অন্তত খতিবের কাছে যেতেন না। আপনি ঠিকই বলেছেন। ৫
২৯. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০১

comment by: এহহামিদা বলেছেন: টেবলয়েড পত্রিকা চলে বেশী কারন সত্য-মিথ্যা মিশ্রিত খবরের ছড়াছড়ি থাকে বেশী!! মানুষ চিরাচরিতভাবে গুজব পছন্দ করে এবং খবরে ক্লাইমেক্স থাকা চাই!!
প্রথম আলোকে তেমনই একটি পত্রিকা মনে হয়েছে সবচেয়ে বেশী!!

এরশাদ পতনের পর রাস্তায় ১ টাকা-২ টাকা দামের চার পাতার কিছু পত্রিকা পাওয়া যেত যেখানে এরশাদ ও তার রমনীকুলের বহু অজানা কাহিনী ছাপা হত!! এবং সেই কাগজগুলা ছিল বাংলাদেশের সেই সময়ের সবচেয়ে বেশী জনপ্রিয় পত্রিকা (যদি সার্কুলেশন হিসাব করা হত)!!

প্রথম আলো একই ধরনের কনসেপ্ট নিয়ে চলছে আজ!! যেহেতু, খবরের সত্যতা প্রমান প্রথম আলোর দ্বায়িত্বে পড়ে না, কিন্তু কিছু যদি মিলেও যায় তা প্রথম আলোদের সুনাম হিসেবেই কাজ করে!!

কমোরেডদের সহায়তায় কমোরেডদের এগিয়ে আসা নতুন কিছু না!! যেমনটা মান্নানের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে প্রথম আলো!!

মজার ব্যাপার হল প্রথম আলো গ্রুপের বিরুদ্ধে যেই মানহানীর মামলাগুলো হয়, বেশীর ভাগ সময়ই দেখা যায় হয় এরা জামিন নেয়ার ব্যাপারে সদা ব্যতিব্যস্ত থাকে নতুবা তাদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দিয়ে তাদের মুখ বন্ধ করে দেয়ার চেষ্টা বা তাদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে বলে ধুয়া তুলতে ব্যস্ত দেখা যায়!!
তারা যে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করেনি এইটা প্রমান করার জন্য তাদের মধ্যে কখনোই নির্ভিক ভাবে সেই মামলাগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করে যাওয়ার প্রত্যয় দেখা যায় নাই!!

৩০. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০৬

comment by: এহহামিদা বলেছেন: আচ্ছা আলপিনের পর পরই একই মিডিয়া গ্রুপের সাপ্তাহিক ২০০০ এর ব্যপারটা কিভাবে বিশ্লেষন করবেন!!
মতির হঠাত করে সেনাপ্রীতিও রহস্য জনক যেই মতি কিনা বাংলাদেশে সেনাবাহিনী প্রয়োজন নেই ভাব ধারায় বিশ্বাসী ছিলেন এই কিছুদিন আগেও!! অবরোধ দমনে সেনা ব্যবহারেরও ঘোর বিরোধী ছিলেন তিনি!!!
৩১. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:২০

comment by: তুষার ০০৭ বলেছেন: গুছানো পোস্ট, ভাল লাগল। ভূতের পা’র মত দেশটা বিশ বছর পিছিয়ে গেল। @মাহবুব মোর্শেদ
৩২. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:২২

comment by: তুষার ০০৭ বলেছেন: দুঃখিত। হবে মাহবুব মোর্শেদ
৩৩. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:২৫

comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: এতদিন ব্লগে এই ইস্যুতে যা লেখা এসেছে,সব আরণ্যক যাযাবরদের মত সরাসরি মোল্লাবিরোধী নাহলে মোল্লা সমর্থক(ইসলাম গেলো পার্টি),এখানে প্রথম আলোর ভূমিকা নিয়ে কেউ আলোকপাত করেনি,কাজটা আপনি শুরু করলেন। সিম্পলি গ্রেট।
৩৪. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:৫৯

comment by: রূশো বলেছেন: ৫
৩৫. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৫৬

comment by: ক্ষ্যাপা বলেছেন: প্রথম আলো আপনেরে চাকরী তে নিছিলো ? আপনের গুরুরে শুনছিলাম বাইর কইরা দিছিলো হেরা । তিনি অবশ্য সাজ্জাদ শরীফের ল্যাংটি ধইরা কবি খ্যাতি অর্জন করছেন , কিন্তু আপনের তো কিছুওই হইলোনা মাহবুব ভাই । এতো পেতিভা বিনাশে গেল

১ দিছি

৩৬. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৫২

comment by: মাঠশালা বলেছেন: মাহবুব ভাই ধন্যবাদ, সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনার সবচাইতে কনসাস বিশ্লেষন।৫
৩৭. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:২১

comment by: ৈকলাশ বলেছেন: ৫
৩৮. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৩১

comment by: আরণ্যক যাযাবর বলেছেন: ফারহান দাউদ, কী বলছে, বুঝি নাই।
ইদানিং মস্তিষ্কের নিউরন কিছু মরে যাচ্ছে।
তাই বোধহয়।

মোল্লাদের বিরোধিতা করি না। কিন্তু মোল্লারা আমাদের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খাইতে চাইলে তো ছাড় দেবোনা।

হায়, প্রথম আলো ।
সিংহ বিড়ালে পরিণত হলে, সবাই বিড়ালের পশ্চাতদেশে লাথি মারতে থাকে।

৩৯. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:১২

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: মিরাজ,
একমত।
সারওয়ারচৌধুরী,
ধন্যবাদ।
আরণ্যক যাযাবর,
ধন্যবাদ।
রকি,
এইটাই সেরা?
রিজভী,
ধন্যবাদ।
বিপ্লব ভাই,
চলিবে মনে হয়।
মুক্তা,
নামের আগে মুহম্মদ না লাগাইলে কী করবেন?
সুইফট,
ধন্যবাদ।
৪০. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:১৩

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: শ্রীমতি, রাগ ইমন,
আপনাদের কথা বুঝতে পারি নাই।
৪১. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:১৭

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: রশীদ ভাই, তুষার ০০৭, ফারহান দাউদ, রূশো, মাঠশালা, ৈকলাশ
ধন্যবাদ।
৪২. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:২৯

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: এহহামিদা,
আপনার সঙ্গে একমত হতে পারছি না।
মানবজমিন তো ঘোষণা দিয়েই ট্যাবলয়েড পত্রিকা। কিন্তু তাতে তো আপত্তি করার মতো কিছু দেখি না। আপনি এরশাদ আমলের বা তার পরের যে পত্রিকাগুলোর কথা বলছেন সেগুলো ছিল তথাকথিত ভদ্র লোকদের ভাষায় রুচিহীন পত্রিকা। প্রথম আলো তো দেখছি আগাগোড়া তথাকথিত সিভিলতা, রুচিশীলতা আর সুস্থতাই বিক্রি করে আসছে। সেটা আমরা সবাই কিনছিও। ফলে রুচিহীনতা ও প্রথম আলোকে একসঙ্গে মেশানো ঠিক হবে বলে মনে হয় না। প্রথম আলোর সিভিলতা ও রুচিশীলতাকে ক্ষোভ আর অক্ষম আবেগ দিয়া বোঝা যাবে না। আড়াইলাখ শিক্ষিত মানুষ যখন কেনে তখন রুচিশীলতা বেশ বড় পণ্য। বুঝতে ইবে।
২০০০-এর ঘটনা ধারাবাহিকতা।
কিন্তু প্রথম আলোর কার্টুনকে যদি ব্যাড টেস্ট বলি তবে ২০০০এর ব্যাপারটাকে সুপার ব্যাড টেস্ট বলতে হয়।
সাধারণভাবে বিদেশী পত্রিকাগুলোতে দেখি লর্ডসকে ক্রিকেটের মক্কা বলে। এইটা নিয়া মুসলমানরা রাগ করে না। কিন্তু বেশ্যালয়ের পাশে মক্কার উদাহরণ? দাউদ হায়দার ভয়াবহ ব্যাড টেস্টের পরিচয় দিয়েছেন।
তবে, আমার মতে, ২০০০ ঈদ সংখ্যাটির পুরোটা বাজেয়াপ্ত না করে এই লেখাটা বাদ দিয়ে বাজারজাত করার অনুমতি দেয়া উচিত ছিল। কারণ এত বড় আয়োজন, সারা বছরের প্রস্তুতি, অনেক বিজ্ঞাপন মিলিয়ে ঈদ সংখ্যা এইভাবে বাজার থেকে উঠিয়ে নিতে হলে সেটা একটা পত্রিকার জন্য বিশাল ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পরন্তু আরও যে লেখকরা ওইখানে লিখছেন তারা তো কোনো দোষ করেননি। পাঠকের কাছে যেতে তাদের বাধা দেয়া হবে কেন?
৪৩. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৩৩

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: ক্ষ্যাপা,
আপনার কথা শুনে মনে হইতেছে আপনে শিল্প-সাহিত্যের শালা-দুলাভাই কেউ। আমার কিছু হইলো না দেখে আপনার দুঃখ দেখে কষ্ট লাগতেছে।
প্রতিভা আপনে কাজে লাগান। আপনার অনেক কিছু হবে। প্রথম আলোতে আপনে যোগাযোগ শুরু করেন।
৪৪. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:১৪

comment by: মাঠশালা বলেছেন: মাহবুব ভাই,
ভিন্ন প্রসঙ্গে আপনার তৎকালীন অবস্থান জানেত চাই।
সালমান রুশদির বিরুদ্ধে(খিয়াল কইরা কিন্তু, লেখার বিষয় বা বক্তব্য নিয়া এদেশে এখনো কথা হয় না)যখন আন্দোলন চলছিল তখন আপনার অবস্থান বা মতামত কি ছিল। রুশদি কি তখন পড়া ছিল নাকি পরে পড়ছেন? ত্তসময়ে যদি না পইড়াও থাকেন তারপরও একটা অবস্থান ছিল মনে হয় যেহেতু একটা ঘটনা।আর তখন এত কনসাসলি বিষয়টা নিয়া ডিল করারও কথা না। এই আনকনসাস টাইমটারও মূল্য আছে মনে হয় কারন, এখানে হয়তো মৌলবাদের একটা প্রাইমারি নমুনা নিহিত হয়া গেছে সেই সময়। পড়ে কেউ বাইরইতে পারছে কেউ পারে নাই।
৪৫. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:২৭

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: মাঠশালা,
তখন আমি এক্সট্রিম প্রগতিশীলতা দ্বারা আক্রান্ত ছিলাম। পরে বুঝতে পারছি, এই বিচ্ছিন্ন প্রগতিশীলতা জিনিশটা কাজের কিছু না। এলিয়েনেশন খুব দ্রুত তৈরি করে। আর কিছু তৈরি করে না। স্পষ্ট মনে আছে, তখন না পইড়া, না বুইঝা সালমান রুশদীকে সাপোর্ট দিছিলাম। এখন মনে করি সেটা সঠিক অবস্থান আছিল না। মোল্লারাও না পইড়া না বুইজা হের কল্লা চাইছিল।
ইসলাম এই ধরনের হুজুগকে সমর্থন করে না। কোনো ধর্ম বা মতাদর্শই তা করে না। ফলে এক্সট্রিম সবকিছুই সন্দেহজনক মনে হয় এখন।
৪৬. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪৩

comment by: দূরন্ত বলেছেন: ৫ দিলাম
৪৭. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১১

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: ভাল করছেন।
৪৮. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১৫

comment by: আনন্দময় বলেছেন: আমি কিন্তু আপনার এই রকম একটা লেখা আশা করছিলাম,সেরা পোষ্ট।
৪৯. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪১

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
৫০. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৩৪

comment by: শামীম আহেমদ বলেছেন: ব্যালান্সিং কমেন্ট। ভালো লাগলো।
৫১. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:১৪

comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: প্রথম আলো ক্ষমা প্রার্থনার মধ্য দিয়ে কী বাঁচালো তাও আমাদের মনে রাখতে হবে। তারা যা বাঁচালো তা হলো বড় ইনভেস্টমেন্টের একটা লাভজনক প্রজেক্ট। আর সবকিছুই তারা ছেড়ে দিল। কিছুই তারা ধরে রাখার চেষ্টা করলো না।
*************************
অকুন্ঠ ৫
৫২. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৫১

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: শামীম আহমেদ ও আরাশি,
ধন্যবাদ।
৫৩. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২৩

comment by: ঠোটকাটা ব্লগার বলেছেন: আপনার শেষ প
৫৪. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৩

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: ঠোটকাটা ব্লগার,
ধন্যবাদ।
৫৫. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৩১

৫৬. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৩৫

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: রকি আপনারে ব্লক করলাম।
এক সপ্তাহের জন্য।
৫৭. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৩৯

comment by: মদন বলেছেন: অসাধারন
৫৮. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৪

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: ধন্যবাদ মদন।
৫৯. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫৯

comment by: মো: খায়রুল বাসার বলেছেন: বিশ্লেষনধর্মী পোষ্ট ।
৮০% একমত ।
ক্ষমতা পেলে সবাই ধরাকে সরা জ্ঞান করে ।
চরিত্রে কালিমা লেপনের ক্ষেত্রে প্রথম আলোর জুড়ি নাই ।
লতিফুরের মত ব্যবসায়ীরা সাংবাদিকদের সময়ে কোলে নেয়, আবার অসময়ে আস্তকুড়ে নিক্ষেপ করতে দেরি করে না । আমার ধারনা কাজি সাহেদও তাই ।
৬০. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৭

comment by: জুবেরী বলেছেন: আসাধারণ ৫
এর বেশি মন্তব্য করতে পারছিনা কারন
অফিসের সময় শেষ ।
৬১. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:২৬

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: মো: খায়রুল বাসার,
২০% দ্বিমত নিয়ে আগ্রহ পাচ্ছি। বলবেন?
জুবেরী,
ব্যাপার না। ধন্যবাদ।
৬২. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ২:২৬

comment by: মুক্তকথা বলেছেন: ওর নাম আরিফ।
(হয়তো মোহাম্মদ আরিফ)
বয়স ২০ এর কম।
ওর লেখা আর কোনোদিন কোথাও ছাপা হবে না।
যাতে না হয়, তার জন্য আমরা হুজুরদের কাছে খত দিয়েছি।

আমরা হয়তো ভালো থাকব। সঙ্গে আলোও থাকবে।

৬৩. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১১

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: মুক্তকথা,
আরিফের লেখা প্রকাশিত হবে না এইটা বোধহয় ঠিক না। এতটা হতাশ আমি না।
৬৪. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:০৩

comment by: তারিফএজাজ বলেছেন: প্প্ব্বপ্প্বজ্জপ্প্বক্কপ্প্ম প্প্ব্ভ্র প্প্বমপ্প্ম্ক, *****
৬৫. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:২৮

comment by: লাল দরজা বলেছেন: অনেক দিন পর এ লেখাটা নজরে পড়ল, পড়লাম ভালো লিখছিলেন। দায়িত্বপূর্ণ দরকারি রচনা, ধন্যবাদ।
৬৬. ২১ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:০১

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: তারিফএজাজ,
বুঝলাম না।
লাল দরজা,
ধন্যবাদ।
৬৭. ২১ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:১৪

comment by: সর্বদাবেলায়েত বলেছেন: ইসলাম বিষয়ক বিশ্লষণটা ঠিক ছিলো। প্রথম আলোর চাটুকারিতা করাটা উচিত হয়নি।

বিশেষত
‘যারা প্রথম আলোর পক্ষে দাঁড়িয়েছেন তারা অবশ্যই ধন্যবাদ পাবেন। কারণ তারা ধর্মীয় রাজনীতির বিপদজনক দিকটির বিরদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। কিন্তু তারা নিশ্চয়ই প্রথম আলোর স্ট্যাটেজি-ট্যাকটিকসসহ মোল্লাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ান নাই। প্রথম আলোর বিপদজনক প্রচারণা কৌশলের পক্ষে দাঁড়ান নাই। যারা এ দফা প্রথম আলোর পক্ষে দাঁড়িয়েছেন তাদের ব্যাপারটা ভাবতে হবে। বুঝতে হবে, সিভিল বিপ্লবের মুখপত্রটি দেশের মতামতের কী উন্নয়ন ঘটিয়েছে? তাদের অবদান কী?’

এসব কথা বলে কোনো লাভ নাই। ওই জায়গাটার ভেতরে গিয়ে দেখুন, সংকীর্ণতা কাকে বলে, কত প্রকার ও কি কি?

ধন্যবাদ।

৬৮. ২১ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:২২

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: সর্বদাবেলায়েত,
চাটুকারিতা শব্দটি ব্যবহার না করার পরামর্শ দিচ্ছি। এ রকম শব্দ শোনার মতো ধৈর্য হারিয়ে ফেলছি।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
৬৯. ২১ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:২৮

comment by: সর্বদাবেলায়েত বলেছেন: বাহ বাহ, বেশ।

যেটা শোনার ধৈর্যই হারিয়ে ফেলেছেন, সেটা কি বেশি বেশি করেন? শুনতে শুনতেই কি ধৈর্যচ্যূতি ঘটেছে?

৭০. ২১ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৫

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: সর্বদাবেলায়েত,
কথা পছন্দ না হইলে আমার ব্লগে আইসেন না।
 

দেশভাগ কি আরও কম রক্তস্নাত হতে পারতো? # রামচন্দ্র গুহ March 5, 2009

Filed under: Uncategorized — mahbub morshed @ 7:28 am

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪৪

শেয়ার করুন: Facebook

‘দেশভাগ কি এড়ানো যেত না?’ এটাই নিঃসন্দেহে আধুনিক ভারতের ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত ও সমাধানহীন প্রশ্ন। ১৯৪৭ এর ১৫ আগস্টের পর থেকে সব রকমের ভারতীয়দের মধ্য থেকে এই প্রশ্ন বারবার উচ্চারিত হয়েছে এবং এর সব রকমের উত্তরও দেয়া হয়েছে। আরও একটি গুরুত্ববহ প্রশ্ন যা এখনও কমবেশি উচ্চারিত হয় তা হলো ‘১৯৪৬ বা পরবর্তীকালে দেশভাগ যদি অমোচনীয়ই হয়ে থাকে তবে তা আরও কম প্রাণক্ষয়ের মধ্য দিয়ে হতে পারতো না?’
১৯৪৭ এর ফেব্র“য়ারিতে লন্ডনের লেবার সরকারে ঘোষণা দেয়, তারা ১৯৪৮ এর জুনের মধ্যে ভারত ছাড়বে। তিনমাস পর নতুন ভাইসরয় মাউন্টব্যাটেন প্রায় নাটকীয় ভাবে ভারত ত্যাগের সময় সংপ্তি করে আগস্ট ১৯৪৭-এ এগিয়ে আনেন। তার দরবারি জীবনীকার ফিলিপ জিয়েগলার এই সিদ্ধান্তের যৌক্তিক দিক তুলে ধরেছেন, ‘যখনই দেশভাগের নীতি গৃহীত হয়েছে, তখনই বোঝা গেছে সাম্প্রদায়িকতা এখন মুক্তভাবে ঘৃণার উদ্গীরণ ঘটাবে। ক্ষমতা হস্তান্তরের দীর্ঘকালীন অপেক্ষা সবচেয়ে খারাপ ঘটনাগুলোকেই উৎসাহিত করবে, উদ্বেগ ও হানাহানি বিস্তৃত হবে। আজ এটা পাঞ্জাবে, কাল বাংলা কিংবা হায়দরাবাদে অথবা উপমহাদেশের অগণন সমাজের যে কোনো স্থানে ঘটতে পারে। এটা ঘটতে পারে সেখানেই, যেখানে হিন্দু ও মুসলমানরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অবস্থান করছে। দুই শত বা দুই হাজার মৃত্যু সেখানে দুই মিলিয়ন বা বিশ মিলিয়নে পরিণত হতে পারে।
১৯৮৫ সালে জিয়েগলার জীবনীটি লিখলেও বাস্তবতা হলো, দেশবিভাগের মূল্য হিসাবে এক মিলিয়ন মৃতদেহ গুনতে হয়েছিল। কোন কোন বিশেষজ্ঞের মতে, এটা ছিল আরও বেশি। প্রায় দুই মিলিয়নের কাছাকাছি। যেভাবে পরিকল্পিত হয়েছিল, সেভাবে সেই জুন ১৯৪৮-এ ব্রিটিশরা ভারত ত্যাগ করলে এই সংখ্যা কততে দাঁড়াতো? মাউন্টব্যাটেনের কাজের একটি আক্রমণাত্বক সমালোচনায় অ্যান্ড্রিউ রবার্টস তাকে নমনীয়তা ও দোদুল্যমানতার জন্য অভিযুক্ত করেছেনÑ
‘যখনই শক্ত হাতে পরিস্থিতি মোকাবেলার সময় এসেছে, তখনই মাউন্টব্যাটেন মেরুদণ্ডহীনের পদ্ধতি বেছে নিয়েছেন’Ñ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় কার্যকর হস্তক্ষেপ করার অনিচ্ছায়, আরও স্পষ্ট করে বললে পাঞ্জাব সীমান্ত বাহিনীকে কাজে না লাগিয়ে এবং একে বিমান বাহিনীর সমর্থনপুষ্ট না করে। জিয়েগলারের বিপরীত অবস্থানে দাঁড়িয়েও রবার্টস মনে করেন ‘তাড়াহুড়ার প্রত্যাহার’ তবু ‘কিছু কম প্রাণক্ষয় সম্ভব করে তুলেছে।
মাউন্টব্যাটেনের কর্মকর্তারা তাকে আগেই হুঁশিয়ার করে দিয়েছিল, পাঞ্জাবই সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা। সেখানে পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ হতে পারে। কিন্তু সময় যখন এলো তখন দাঙ্গা দমনে যথেষ্ট সৈন্য মোতায়েন করা হলো না। এর পেছনে ছিল একটাই কারণ, শাসক ব্রিটিশরা চলে যাচ্ছে এ ঘোষণা জনসম্মুখে প্রচারিত হলে তারা আক্রমণের শিকার হবে। এই ভয় তাদের মনে গেঁড়ে বসেছিল। এই ধারণাটি বহুলভাবে ব্রিটিশ কর্মকর্তা, জাজক, বিনিয়োগকারী এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংক্রমিত হয়েছিল। ১৯৪৬ এর গ্রীষ্মে একজন তরুণ ব্রিটিশ কর্মকর্তা তার পরিবারের কাছে লেখা চিঠিতে বলেছিল সে কোন দৃষ্টিতে ব্রিটিশদের ভারত ত্যাগকে দেখছে, ‘ঘটনা শুরুর পূর্বে পুরো দেশটাই ভাবগতভাবে আমাদের বিরুদ্ধে গেছে (যা আমাদের ছড়ানো-ছিটানো ইউরোপীয় জনগোষ্ঠীকে সবখান থেকে উচ্ছেদ করতে সক্ষম)। কিন্তু যখন তা সত্যিই ঘটতে শুরু করবে তখন তা হিন্দু-মুসলমানদের সাম্প্রদায়িকতার বাইপ্রোডাক্টে পরিণত হবে।’
শেষ দিনগুলোতে শাসকের নীতিই ছিলÑ সর্বাগ্রে ব্রিটিশ জীবনের সুরা নিশ্চিত করা। ১৯৪৭ সালের ফেব্র“য়ারিতে বেঙ্গলের গভর্নর স্যার ফ্রেডরিক বারোজ বলেছিলেন, ‘ব্রিটিশ মতা প্রত্যাহারের তারিখ ঘোষণার পর তার প্রথম পদক্ষেপ হবে…সেনাসদস্যদের সতর্ক রাখা এবং জনতা সহিংস হওয়ার আগেই যথাসম্ভব কম সময়ে ছড়ানো-ছিটানো ইউরোপীয়দের একত্রিত করা।’
কিন্তু বাস্তবতা হলো, ১৯৪৭-এর গ্রীষ্মে একজন শ্বেতকায় নারী বা পুরুষই ছিল ভারতের সবচেয়ে নিরাপদ লোক। তাদের হত্যা করে কারও কোনও ফায়দা হতো না। কিন্তু তাদের কল্পনাপ্রসূত নিরাপত্তাহীনতার কারণে অন্য স্থানে দাঙ্গা প্রতিরোধে নিয়োজিত না রেখে ইউরোপীয় আবাসগুলোর পাশে প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল।
নিজেদের সুরার নীতি থেকে স্বাধীনতার তারিখ ঘোষণার পর পর্র্যন্ত পাঞ্জাব সীমান্ত চিহ্নিতকরণও বন্ধ রাখা হয়েছিল। পাঞ্জাবের গভর্নর স্যার ইউয়ান্স জেনকিনস নিশ্চিত ছিলেন, নির্ধারিত হওয়ার পরই সীমান্ত সংক্রান্ত ঘোষণা দেয়া হবেÑ এতে ডিস্ট্রিক্ট অফিসাররা ডমিনিয়নের পাকিস্তানি নাগরিকদের পাকিস্তানে এবং ভারতীয়দের ভারতে রাখতে সম হবেন। অন্যদিকে সেনাদের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে একত্রিত করা হচ্ছিল, ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে। সীমান্তরেখা চিহ্নিতকরণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত স্যার সিরিল র‌্যাডক্লিফ ৯ আগস্টেই প্রস্তুত ছিলেন। তারপরও পনের আগস্টের পরই ঘোষণা দিতে চেয়েছেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন। ভাইসরয়ের তরফে দেরির কারণ হিসাবে ব্যাখ্যা ছিল অদ্ভূত, ‘প্রশ্নহীনভাবে বলা চলে, আগেই যদি এটা প্রকাশিত হতো তবে ব্রিটিশদেরকেই এ অপ্রতিরোধ্য ফলের দায় বহন করতে হতো।’ এতদসঙ্গে ‘ এর প্রকাশনা স্থগিত হওয়ায় ব্রিটিশদের ওপর কম বিক্ষোভ প্রদর্শিত হবে।’ অর্থাৎ স্থানীয় পুলিশের ওপরই দেশভাগ এবং স্বাধীনতা জনিত ভয়ংকর পরিস্থিতির দায় চাপাও।
রীতি অনুসারে, ইতিহাস সেভাবেই লেখা উচিত যেভাবে তা ঘটেছে, সেভাবে নয় যেভাবে ঘটা উচিত ছিল। আরও বর্ধিত সময়ের কলেবরে একবছর সময় হাতে নিয়ে যদি ব্রিটিশদের পক্ষ থেকে দেশত্যাগের ঘোষণা দেয়া হতো তবে কি তা কম বেদনাদায়ক হতো? পাঞ্জাব সীমান্তে বেশি সংখ্যক সক্রিয় সেনা মোতায়েন করলে এবং র‌্যাডকিফের সীমান্ত রেখা চিহ্নিতকরণের ঘোষণা আগেভাগে দিলে কি পাঞ্জাবে কম রক্তপাত হতো? হয়তো, হয়তো নয়।
পাঞ্জাবের একজন কর্মকর্তা অক্সফোর্ডের এক সমাজকর্মীকে যা বলেছিলেন তা-ই হয়তো ব্রিটিশ রাজের শেষ দিনগুলো সম্পর্কে মোক্ষম এপিটাফ, ‘তোমরা ব্রিটিশরা পরিচ্ছন্ন লেনদেনে বিশ্বাস করো। তোমরা ভারত ত্যাগ করেছিলে একে সেই গোলযোগপূর্ণ অবস্থায় পৌঁছে দিয়ে ঠিক যে অবস্থায় একে পেয়েছিলে তোমরা।’
সূত্র : দি হিন্দু
অনুবাদ : মাহবুব মোর্শেদ

প্রকাশ করা হয়েছে: পঞ্চতন্ত্র বিভাগে ।

<!––>

  • ৮ টি মন্তব্য
  • ২১৭ বার পঠিত,
Send to your friend Print

রেটিং দিতে লগ ইন করুন

পোস্টটি ৩ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

১. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪৮

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: সমকাল পত্রিকায় থাকতে আমি প্রায় প্রতিদিনই একটা করে কলাম অনুবাদ করতাম। ফাইলগুলার দিকে তাকালে এখন খুব কষ্ট লাগে। অধিকাংশই এখন গুরুত্বহীন। বিষয়গুলো পুরানা হয়ে গেছে। তারপরও কিছু বিষয় প্রাসঙ্গিক আছে। সেখান থেকে কিছু লেখা বাছাই করে এখানে দেব বলে ঠিক করেছি। এরকমই একটা লেখা এটা। ভারতের দি হিন্দু পত্রিকায় ২০০৫-এর আগস্টে এটা প্রকাশিত হয়েছিল।
২. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:২০

comment by: শামীম আহেমদ বলেছেন: ব্লগের খিস্তি খেউড়ের ভিড়ে একটি ব্যাতিক্রমধর্মী পোষ্ট। চালিয়ে যান।
৩. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩০

comment by: সন্ধ্যাপ্রদীপ বলেছেন: দেশভাগের সময় মানবশরীরের দৃশ্যমান রক্ত ঝরা হয়তো কমানো যেতে পার। কিন্তু সাম্প্রদায়িক এই বিভক্তি যুগ যুগ ধরে ভারত উপমহাদেশের মানুষের সমাজে, রাষ্ট্রে, অর্থনীতিতে যে রক্ত ঝরাচ্ছে গোপনে অতি সন্গোপনে তার কী কোনো সমাধান জানা আছে ?? নেই জানি, কারন, সাম্প্রদায়িক বিভাজন
খুব নীরবে রক্ত চোষ । জোঁক আপনি সরাতে পারেন নুনের ছিটায় কিংবা খুছনির খোছায়, সাম্প্রদায়িক বিভাজনের জোঁক আপনি ছাড়িয়ে ফেলতে পারবেননা, এ বড় আদিম জোঁক, এ বড় হিংস্র জোঁক, এ আমার-আপনার বুকের গভীরে বাস করে, বুকের গভীর থেকে রক্ত চোষে ফোটায় ফোটায়…..
ধন্যবাদ সুন্দর একটি লিখার জন্য ।
৪. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:২৮

comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: দিয়া যান,পড়ার জন্য আছি।
৫. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৩৪

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: শামীম আহমেদ,
ধন্যবাদ।
সন্ধ্যাপ্রদীপ,
এখান থেকে একমত।
ফারহান দাউদ,
একটা একটা করে, ক্রমে দিব।
৬. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:২৮

৭. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:২২

comment by: মাঠশালা বলেছেন: আপনার পোষ্টটি পড়ার পর সুমনের একটা গান মনে পরল-

“একটা থালায় চারটে রুটি একটু আচার একটু ডাল
একই থালায় দুজন খাবে যুদ্ধ হয়ত আসছে কাল
একটা মাঠে দু’জন সেপাই দেশ-বিভাগের সীমান্তে
দুজন আছে দুই দিকে আর বন্ধু তারা অজান্তে।

তারা এদেশ ভাগ করেনি দেয়নি কোথাও খড়ির দাগ
নেতারা সব ঝগড়া করেন জলে কুমীর ডাঙ্গায় বাঘ।
ঝগড়াটাকে আড়াল করে লাভের রুটি লাভের গুড়
সীমান্তে দুই দেশের সেপাই দেশপ্রেমের দিনমজুর।

দুই কাধেঁ দুই বন্দুক আর বুলেট বেশি খাবার কম
রাজধানীতে হিসেব কষেন এদের নেতা ওদের যম
যমের বাড়ি কাছেই আছে অনেক দূরে নিজের ঘর
দেশপ্রেমের নজির হলো এই চিতা আর ঐ কবর।

খিদের কিন্তু সীমান্ত নেই নেই চিতা নেই কবরটাও
যুদ্ধটাকেই চিতায় তোলো যুদ্ধটাকেই কবর দাও।।

(লিরিকসটা স্মৃতির উপর পোষ্ট করছি, ভূল হলে মাফ করে দিয়েন)

৮. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:২২

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: মাঠশালা,
থ্যাংকস।
 

সন্ত্রাসের সংজ্ঞা # শ্রুতি বেদি March 5, 2009

Filed under: Uncategorized — mahbub morshed @ 7:27 am

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১৩

শেয়ার করুন: Facebook

যুদ্ধাপরাধ বিষয়ে কতিপয় আন্তর্জাতিক কনভেনশন থাকলেও সন্ত্রাসবাদের আন্তর্জাতিকভাবে গৃহীত কোনো সংজ্ঞা নেই। কিন্তু এটা জরুরি ইস্যু, এবং এর দিকে এখনই নজর দেয়া প্রয়োজন।
সরকার, ক্ষিপ্ত জনতা, জঙ্গিবাদী বা অপরাধীদের দ্বারা সংগঠিত যে কোন সহিংস কাজকে সাধারণত সন্ত্রাস হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু নিজেদের রার জন্য যারা সহিংস পন্থা বেছে নেয় তারাও কি সন্ত্রাসবাদীর ক্যাটাগরিতে পড়বে? এখানেই সমস্যা দেখা দেয়, কেননাÑ ‘একজনের কাছে যে সন্ত্রাসবাদী অন্যজনের কাছে সেই মুুক্তিযোদ্ধা’। সেভাবেই সন্ত্রাসবাদের অর্থ তৈরি হয়, যেভাবে একজন ব্যক্তি একে দেখে।
হুইটব্যাক বলেছেন, ‘সন্ত্রাসবাদের কোনো সর্বজন স্বীকৃত সংজ্ঞা না থাকা কোনো দুর্ঘটনা নয়। কেননা এটি আপেকি একটি শব্দ এবং এটি তার অর্থগত উৎসকে বর্জন করেছে। একইভাবে শব্দটি চূড়ান্তভাবে বিপজ্জনক, কেননা জনগণ বিশ্বাস করতে চায় এর একটি অর্থ আছে। যৌক্তিক বিচারবোধ নেই যাদের এবং আলোচনার মনোভাব লালন করেন না, এমন ব্যক্তিরা এর ব্যবহার বা অপব্যবহারের যুক্তি খুঁজে নেয়। এমনকি নিজেদের বেআইনি ও অনৈতিক আচরণকে জায়েজ করতেও এ শব্দটি ব্যবহার করে।’
শব্দটির মানে গত দুইশত বছরে দ্রুত পরিবর্তিত হয়েছে। পূর্বে এটি দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের বোঝানো হতো। যে মুক্তিযোদ্ধারা বিদেশী শাসনের যাঁতাকল থেকে দেশকে মুক্ত করতে যুদ্ধরত ছিলেন। সেসময় একে বিপ্লবী ধারণা হিসেবেই বিবেচনা করা হতো।
সংখ্যালঘু জনতা সংখ্যাগুরুর চাপে থাকলে সন্ত্রাসী কর্মকা-ের মাধ্যমেই নিজেদের শক্তি জানান দিতে চায়। এর পর দেখা মিলল, রাষ্ট্র সমর্থিত সন্ত্রাসের। দেখা গেল কিছু গোষ্ঠীকে রাষ্ট্রই সমর্থন জোগায় ও প্রশিণ দেয়। এদের কর্মত্রে কোথায় তা সহজেই অনুমেয়।
পরবর্তীকালে, এ ধরনের কাজের সঙ্গে জড়িত লোকেদের চিহ্নিত করাই কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। ফরিদ জাকারিয়া যেমনটি বলেছেন, অধুনা সন্ত্রাসবাদ সমাজ সমর্থিত। রাষ্ট্র নয়, সামাজিক ব্যক্তিদের কাছ থেকেই তার সমর্থন মেলে। সন্ত্রাসবাদ শব্দটি এর চৌহদ্দির মধ্যেই গুরুতর আক্রমণাক ও অতিরিক্ত অর্থগত দ্যোতনা সঞ্চয় করেছে। একটি অপরাধ সংঘটিত করার পর আজকের সন্ত্রাসবাদীরা হাওয়ায় মিলিয়ে যায়। বাসস্থানবিহীন এই এই শত্র“র খোঁজও মেলে না। প্রত্যেক পর্বেই সন্ত্রাসীদের নতুন চেহারা ও নতুন অর্থ তৈরি হয়। তারপরও তাদের ল্য থাকে জনতার মধ্যে ভীতি জাগানো, এবং নিজেদের পূর্ব-পরিকল্পনা অনুসারে তাদের প্রতিক্রিয়া তৈরি করা। সন্ত্রাসের বিশ^জুড়ে গৃহীত সচেতন কোনো সংজ্ঞার্থ না থাকাই আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস বিরোধী লড়াইয়ের বড় ফাঁক।
‘টেরর’ শব্দটি প্রচলিত হয় ১৭৩৯-৯৪ সালে, ফ্রান্সে ‘সন্ত্রাসরাজ’ চলার সময়কালে। মূলত, এই শাসনের নেতারা স্বাধীনতাকে সুরা দিতে সন্ত্রাসকে সমর্থন দিয়েছেন। কিন্তু যখন ফরাসি বিপ্লব তিক্ত হতে থাকলো তখন এই শব্দটি দ্রুত গিলোটিন ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের প্রতিধ্বনি করতে থাকলো। যারা ওই সময় মতাসীন ছিল সেই জ্যাকোবিয়ানরা ছিল বিপ্লবপন্থী। ক্রমশ ‘সন্ত্রাসবাদ’ শব্দটি সাধারণভাবে সহিংস বিপ্লবী কর্মসূচি হিসাবে প্রযুক্ত হতে থাকলো।
সরকার-বিরোধী অর্থে ‘সন্ত্রাস’ শব্দটির ব্যবহার ১৮৬৬ (আয়ারল্যান্ড) ও ১৮৮৩ (রাশিয়া) সালের আগে নথিভুক্ত হয়নি। র‌্যান্ড থিংক ট্যাংকের ব্রুস হফম্যানের মতে, আজকাল বেশিরভাগ সন্ত্রাসবাদীই এই তকমাকে অপছন্দ করে।
‘টেরর’ শব্দটি লাতিন উৎস থেকে উৎসারিত (টেরিরি বা ডিটেরিরি থেকে। অর্থ প্রকম্পিত করা)। ফ্রেঞ্চ অনুসর্গ ‘ইজম’ মানে ‘চর্চা করা’। অর্থ দাঁড়ায়Ñ ‘প্রকম্পিত করার জন্য চর্চা বা অনুশীলন’ বা ‘প্রকম্পিত করার কারণ তৈরি’। প্রকম্পিত অর্থ এখানে অবশ্যই ভীতি, ত্রাস, উত্তেজনা; যাকে আমরা সন্ত্রাস বলে অভিহিত করি। ইংরেজি ‘টেরোরিজম’ শব্দটি ফ্রাঞ্চে ইংরেজদের রক্তাক্ত অভিজ্ঞতার স্মৃতিবাহী।
আধুনিক পশ্চিমা বাচনভঙ্গিতে এর অনুপ্রবেশ ফরাসি ভাষায় মাধ্যমে, চতুর্দশ শতকে। ইংরেজিতে এর প্রথম ব্যবহার নথিভূক্ত হয় ১৫২৮ সালে। সন্ত্রাসের মূল প্রকৌশল নেয়া হয় প্রাচীন চীনা একটি নীতিবাক্য থেকে। এর মর্ম হলোÑ ‘একজনকে হত্যা করার মধ্য দিয়ে ভয় দেখাও দশহাজারকে’। এর মানে, সন্ত্রাসবাদীর কাছে সহিংসতা শুধু ধ্বংস নয়, বরং সন্ত্রাসের বাণীকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়ার উপায়।
সন্ত্রাস সংঘটনের কারণ অনেক। উদাহরণÑ ধর্মীয় স্পর্শকাতরতা, যা একটি গোষ্ঠী পুরো সামজের ওপর চাপিয়ে দিতে চায়। আর যখন সন্ত্রাস ধর্মীয় বা জাতিগত উন্মাদনার সঙ্গে মেলে তখনই তা নিকৃষ্ট রূপ ধারণ করে।
অযোধ্যার ঘটনা সকল যুক্তিকে ম্লান করে দিয়েছে। আত্মঘাতি সন্ত্রাস অন্য একটি প্রপঞ্চ যা ক্রমশ বেড়ে চলেছে। ওয়ার্ল্ড টেড সেন্টার বা লন্ডন হামলা এগুলোরই বর্ধিত প্রকাশ। নিজেকে ধ্বংস করার জন্য প্রস্তুত শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করা কঠিন। দিন দিন জৈব, রাসায়নিক ও আণবিক অস্ত্র সম্বলিত সন্ত্রাসের সম্ভাবনা বেড়ে চলেছে। কম্পিউটারের ওপর আমাদের অধিক নির্ভরতা সাইবার অ্যাটাকের সম্ভাবনাকেও বৃদ্ধি করছে। সাইবার সন্ত্রাস এখন আর কোন কল্পকাহিনী নয়। সন্ত্রাসকে সংজ্ঞায়িত করার উপাদানগুলোতে নানা ধারণা, মতাদর্শ, মূল্যমান ও প্রভাবক যুক্ত হচ্ছে। কিন্তু, পরিষ্কার সচেতনতামূলক সংজ্ঞা প্রয়োজনী। কেননা সন্ত্রাস বিরোধী আইন প্রণয়নের পূর্বে এটা দরকার।
নির্দিষ্ট সময়ে যেকোন সন্ত্রাসমূলক ঘটনা সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করলে এটির প্রয়োজন পড়ে। এটি ক্রমবর্ধমান ধারণা যে, সরকার বিদ্যমান আইন-শৃংখলা নীতির অপলাপ না ঘটিয়ে এটি করতে পারে না।
টাডা আইনে অভিযুক্ত ১৮ উগ্রবাদীর আপিল নাকোচ করার প্রেক্ষাপটে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, ইন্ডিয়ান পেনাল কোড এবং আর্ম অ্যাক্ট অনুসারে সন্ত্রাসবাদ হলোÑ শান্তির সময়ে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ।
জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো সন্ত্রাসবাদের সংজ্ঞা নিয়ে একমত হতে পারেনি, কেননা কোথাও কোথাও এটি মুক্তিযুদ্ধ হিসাবে প্রতিভাত হয়েছে। তাই কোর্ট বলেছিল, এর সংজ্ঞা নির্ধারণ এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। সুপ্রিম কোর্টের মতে, ‘সন্ত্রাসবাদ হলো ক্রমবর্ধমান আইনহীনতা ও সহিংসতামূলক আচারের ইশতেহার। যা প্রতিষ্ঠিত আইন এবং সভ্য ও আইনভিত্তিক সমাজের প্রতি হুমকি।’ কোর্ট আরও যোগ করেছে, ‘ যদি যুদ্ধাপরাধের ধারণাÑ সাধারণ নাগরিকদের ওপর অপ্রস্তুত আক্রমণ, নাগরিকদের জিম্মি করা, বন্দীর প্রাণসংহার ইত্যাদিকে শান্তির সময়ে টেনে আনা হয় তবে আমরা সন্ত্রাসবাদী কাজকে সংজ্ঞায়িত করতে পারবো শান্তির সময়কালীন যুদ্ধাপরাধ হিসেবে।’
যদি আমরা সন্ত্রাসবাদকে যুদ্ধ বলি তবে ব্যক্তির সমতাকে ছোট করে দেখতে হবে। এ ক্ষেত্রে আমাদের ব্যক্তির বদলে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে চিহ্নিত করতে হবে। অভিযুক্ত সন্ত্রাসী নয়, শত্রুর প্রকৃত পরিচয়ের দিকে আঙ্গুল তুলতে হবে।
সন্ত্রাসে দ্বিধাহীন ও সচেতনভাবে অর্থ প্রদান করা হয়। এতে রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য, সরলার্থে সকল নৈতিক ও মানবিক সম্পদ উৎসর্গ করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হয়।
অনুবাদ : মাহবুব মোর্শেদ

লেখাটি ২০০৫ সালের সেপ্টেম্বরে ভারতের দি ট্রিবিউন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।

প্রকাশ করা হয়েছে: অনুবাদ বিভাগে ।

<!––>

  • ৬ টি মন্তব্য
  • ১২৩ বার পঠিত,
Send to your friend Print

রেটিং দিতে লগ ইন করুন

পোস্টটি ২ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

১. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৩৭

comment by: ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: ভাল পোষ্ট।
ভারত যখন আমাদের উপমহাদেশ শাসন করেছে।তখন যারা স্বাধীনতার জন্য ঐ সময় যুদ্ব করেছিল,ব্রিটিশ সরকার তাদের বলতো সন্ত্রাসী ।আর ভারত উপমহাদেশের লোকেরা তাদের বলতো দেশপ্রেমিক বা মুক্তিযোদ্বা। একটু বিচার করুন।
ব্রিটিশরা এখানে এসেছে ব্যবসা করার জন্য।তারপর আমাদের শাসন করলো অবৈধভাবে।একি জায়গা ।একি সময় কিন্তু দুইটা মত।আপনিই বলুন কে সন্ত্রাসী ।
২. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৬

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: মতামতের জন্য ধন্যবাদ।
কিন্তু কমেন্টটা এত স্পেস খাইলো কেমনে?
৩. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৫

comment by: মাহমুদ মামূন বলেছেন: ভালো লেখা। মাহবুব ভাই চালিয়ে যান। আমাকে চিনছেন?
চিনলে খুশী হব।
৪. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১৭

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: ছবি দেখে চেনা যাচ্ছে না।
চশমাটা খুলেন। ধন্যবাদ।
৫. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪৮

comment by: মাহমুদ মামূন বলেছেন: চিনলেতো চশমা পরাই চিনতেন, তাই না? খামোখা চশমা খোলার কি দরকার? ভালো থাকবেন ভাই।
আপনাকে একটু ক্লু দেই, আমি জাবি’রই একজন।
৬. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৪৭

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: আরো ক্লু দেন।
 

বার্মার দিকে তাকান, এই যে বার্মা March 5, 2009

Filed under: Uncategorized — mahbub morshed @ 7:26 am

২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৩

শেয়ার করুন: Facebook

ইন্ডিপেন্ডেন্ট পত্রিকার একটি রিপোর্ট।

<!––>

  • ১১ টি মন্তব্য
  • ১৯৭ বার পঠিত,
Send to your friend Print

রেটিং দিতে লগ ইন করুন

পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

১. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৫

comment by: যীশূ বলেছেন: আর আমাদের মোল্লারা!
২. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৯

৩. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৪

comment by: জেন সাধু বলেছেন: বৌদ্ধিস্ট মঙ্কস এবং মাহবুব মোর্শেদ, ভালো।
৪. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:০৬

comment by: জেন সাধু বলেছেন: সামরিক জান্তা, পচা।
৫. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫৩

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: যীশূ,
মোল্লাদের কাছ থেকে আপনি কিছু প্রত্যাশা করেন মনে হয়?
জেন সাধু,
১. এক সাথে যায় না?
২. এত কমে?
৬. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:০৬

comment by: অমিত আহমেদ বলেছেন: হুম!
৭. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:১৭

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: অমিত আহমেদ,
অমিতকে চেনেন নিকি?
আমারে গালি দেয় উনি চান্স পাইলে।
৮. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:১৫

comment by: অমিত আহমেদ বলেছেন: আমেরিকা প্রবাসী অমিত ভাই? চিনি তো উনাকে। আপনাদের ব্যক্তিগত ব্যাপাররে ভাই, আমাকে টানেন ক্যান? :)
৯. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:২০

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: আপনারে টানি না। তবে নেমসেক বলে একটা ব্যাপার আছে না! সেইটা।
১০. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৫৫

comment by: অমিত আহমেদ বলেছেন: হাঃ হাঃ হাঃ
বলেছেন মন্দ না!
১১. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৫৯

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: হি হি!
 

প্রথম আলো প্রসঙ্গ নিয়ে ফরহাদ মজহারের কলাম March 5, 2009

Filed under: Uncategorized — mahbub morshed @ 7:25 am

২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৩০

শেয়ার করুন: Facebook

নয়া দিগন্তে প্রকাশিত লেখাটি পড়লাম। মজার কিছু বিষয় ধরেছেন ফরহাদ মজহার।

প্রকাশ করা হয়েছে: অন্যের লেখা বিভাগে ।

<!––>

  • ৮৫ টি মন্তব্য
  • ১১১০ বার পঠিত,
Send to your friend Print

রেটিং দিতে লগ ইন করুন

পোস্টটি ১১ জনের ভাল লেগেছে, ৭ জনের ভাল লাগেনি

১. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪০

comment by: গন্ডার বলেছেন: পর্লাম
২. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪০

comment by: আমি সাগর বলেছেন: নয়াদিগন্ত আর ফ. মাজহার?
হা হা হা হা হা
৩. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৪৩

comment by: এস এম শাহাদাত হোসেন বলেছেন: হ্যান্ডশেক করা বা মোসহাবা করার অর্থ ক্ষমা প্রার্থনা বা তওবা করা? দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা প্রকাশ্যভাবেই চেয়েছেন। তবে নয়া দিগন্ত যেভাবে বলছে এবং ছবির ক্যাপশান করেছে তার সাথে বাস্তবতা মিলছেনা।
৪. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:২২

comment by: নেই মানুষ বলেছেন: ৫
৫. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:২৫

comment by: আশালতা বলেছেন: ফরহাদ মাজহার জামায়াতের মুখপত্র নয়া দিগন্তেও লিখেন নাকি ? ইস্, বাম বিপ্লবীদের কি অবস্থা?
৬. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৩৫

comment by: আশালতা বলেছেন: অবশ্য বছর দুয়েক আগে ফরহাদ মাজহার হিযবুত তাহরীরের মত উগ্র ধর্মীয় সংগঠনের অনুস্ঠানে বক্তব্য দিয়েছেন, এমন খবর পত্রিকায় তখন পড়েছিলাম। সম্ভবত কথিত প্রগতিশীল মহলে ভাত পাচ্ছিলেন না, ডানপন্থি ব্লকে তো আবার মেধাবী বুদ্ধিজীবির আকাল আছে, ফরহাদ মাজহার সেই ব্লক থেকে ফায়দা নিচ্ছেন চামে। আর নয়া দিগন্তের লাভ, পাঠককে দেখাবেন, দেখ, আমরা কত নিরপেক্ষ, বামদের লেখা ছাপাই।
কে একজনে বলল সেদিন, ফরহাদ মাজহার নাকি এখন নিজামীর চেয়েও ধার্মিক (?) বেশি ধার্মিক হওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমেছে।
অবশ্য তার দোষ কি? প্রথম আলোরা সব প্রগতিশীলতার আড়তদার সেজে বসে আছে, ফরহাদ মাজহারদের লেখা ছাপায় না এখন। তাই প্রথম আলোর চৌদ্দগোষ্ঠি উদ্ধার করা ছাড়া উনি করবেনও বা কি?
৭. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৪৫

comment by: বন্ধনহীন বলেছেন: পড়লাম। লিংক দেয়ার জন্য ৫।
চরম মেরুকৃত আমাদের সমাজে তার লেখাকে সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে বুঝতে চেস্টা করবে। ঠিক যেভাবে মানুষজন হকিংসকে ঈশ্বরের ব্যপারে বুঝে থাকে।
৮. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৪৯

comment by: আশালতা বলেছেন: যাই বলেন, ফরহাদ মাজহারের মতিভ্রম হয়েছে। আমাদের কয়েকজন ক্লাসমেট ইদানিং হিযবুত তাহরীর নামক উগ্র ধর্মীয় সংগঠনের সদস্য হয়েছেন। তারা নাকি এদেশে খিলাফত প্রতিষ্ঠা করতে চায়। তারা বলল, ফরহাদ মাজহার নাকি তাঁদের দলের সবার প্রিয় বুদ্ধিজীবী।
৯. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:৪৩

comment by: ঠোটকাটা ব্লগার বলেছেন: লিংকের জন্য ধন্যবাদ।
১০. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:১০

comment by: ধারাভাষ্য বলেছেন: @বন্ধনহীন
তিনি প্রথম আলোর পরাশক্তি-লেজুড়বৃত্তির কথা বললেন। সমাপ্ত করলেন হিযবুত তাহরীরকে হিরো বানিয়ে।

হিযবুত তাহরীর যে পুরাই বাইরের সাপ্লাই, এটা স্বঘোষিত। ওটা বাদ পড়লো কেন?

১১. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:২৯

comment by: অবজারভার বলেছেন: লিংকটা ঠিক আছে? আমি পেলাম না তো!
১২. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৩৪

comment by: ধ্রূপদী বলেছেন: আমিও পেলাম না। ফমা নয়াদিগন্তে ব্যান হয়েছেন বলে গুজব শুনেছি।
১৩. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:২১

comment by: ব্রাত্য রাইসু বলেছেন: নতুন লিংক-এ পাবেন : যঃঃঢ়://িি.িফধরষুহধুধফরমধহঃধ.পড়স/2007/09/25/ভঁষষহবংি.ধংঢ়?ঘবংিথওউ=44119্ংবপ=4
১৪. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:২২

comment by: ব্রাত্য রাইসু বলেছেন: নতুন লিংক :
১৫. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:২৩

comment by: ব্রাত্য রাইসু বলেছেন: যঃঃঢ়://িি.িফধরষুহধুধফরমধহঃধ.পড়স/2007/09/25/ভঁষষহবংি.ধংঢ়?ঘবংিথওউ=44119্ংবপ=4
১৬. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:২৫

comment by: ব্রাত্য রাইসু বলেছেন: ফরহাদ মজহারের লেখাটি পুরোনো পত্রিকায় গেছে। লিংক : Click This Link
১৭. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ১০:৩৯

comment by: কৌশিক আহমেদ বলেছেন: হিজবুত তাহরীর তাহলে ফরহাদ মজহারের সৃষ্টি? কনফিউজড।
১৮. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:২৫

comment by: অন্ধকার বলেছেন: কালকেই পড়েছিলাম লেখাটা। ওনার এনালাইসিস যুক্তিযুক্ত। হিজবুত তাহরির ওনাকে গুরু মানেন…।
১৯. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৩

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: লিঙ্ক আপডেট করলাম। এখন ক্লিক করলেই পাবেন লেখাটি।
২০. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৬

comment by: জুবেরী বলেছেন: ফরহাদ মাজহারের লেখাটি পড়ে গালি দিতে ইচ্ছা করছিল ।গালি দেওয়াটা অভ্যাসে নাই তাই ……

@মাহবুব মোর্শেদ
“নয়া দিগন্তে প্রকাশিত লেখাটি পড়লাম। মজার কিছু বিষয় ধরেছেন ফরহাদ মজহার।”

মজার কিছুটা কি ?

আপনার নিজস্ব মতামতটা জানান
“প্রথম আলো” পোষ্টটি পড়ে আপনার মতামত যতটুকু বুঝলাম একই সুর নয় তবে বিষয়টা এখানে শেষ না করে আরো পূনাংগ পোষ্ট আশা করছি বিষয়টি আরো আলোচনার দাবি রাখে ।

২১. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:০০

comment by: জেন সাধু বলেছেন: ফরহাদ মজহার পচা।
২২. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:১৬

comment by: অবজারভার বলেছেন: লেখাটি শেষ পর্যন্ত পড়া গেল এবং ফরহাদ মজহারের স্বরূপটাও বোঝা গেল। তিনি আরিফুর রহমানের দায়িত্ব মতিউর রহমানের নেয়া উচিত ছিল বলে যে মন্তব্য করেছেন সেটা সকল শ্রমজীবী মানুষের পক্ষে গেছে। কিন্তু পুরো লেখাটা মিলিয়ে দেখলে তাঁর এই বক্তব্যটাও পানসে হয়ে যায়, যখন বোঝা যায় যে তিনি মতিউর রহমানকে রাজনৈতিকভাবে আক্রমণ করতে যাচ্ছেন বলেই এবং মন্তব্যটা মতিউর রহমানের বিপক্ষে যাবে বলেই করেছেন।

আমরা এতদিন সন্দেহ মাত্র করতাম, কিন্তু এখন দেখলাম হিজবুত তাহরীর আসলে তাঁর নিজেরই দল। এ কারণেই এ দলটির উগ্রতা তাঁর পছন্দ হয়েছে।

কেন হিজবুত তাহরীর কিছুদিনের মধ্যেই জনপ্রিয় হয়েছে তাঁর কারণ অনুসন্ধান ফরহাদ মজহার এবং তাঁর চ্যালারাই করুন, আমরা শুধু এটাই বলতে পারি যে ‘‌শস্যের চেয়ে টুপি বেশি’ যে দেশে, সে দেশ ধর্মীয় জঙ্গি ফলবার উর্বর ক্ষেত্র বটে।

আপসোস যে, ফরহাদ মজহারের ‘শস্য’ হবার যোগ্যতা ছিল, কিন্তু শেষপর্যন্ত তিনি ‘টুপি’তে পর্যবসিত হলেন।

মাহবুব মোর্শেদ ও ব্রাত্য রাইসুকে অনুরোধ, এ বিষয়ে ফরহাদ মজহার আরো লেখা লিখলে সেসবেরও লিঙ্ক দিয়েন আমরা পড়ে পুণ্য অর্জন করতে চাই।

২৩. ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:২৫

comment by: মুজিব মেহদী বলেছেন: ফরহাদ মজহারের মতো একজন পণ্ডিতের সমুদয় শক্তি কি ধর্মীয় জঙ্গিবাদের পক্ষেই ব্যয়িত হয়ে যাবে? খুবই দুঃখজনক।

আচ্ছা, হিজবুত তাহরীর দলটির তিনি কী পদ হোল্ড করেন?

২৪. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:২৭

comment by: জুবেরী বলেছেন: অবজারভার @
“আপসোস যে, ফরহাদ মজহারের ‘শস্য’ হবার যোগ্যতা ছিল, কিন্তু শেষপর্যন্ত তিনি ‘টুপি’তে পর্যবসিত হলেন।”

এর চেয়ে ভালো বিশেষণ আর হয় না
অসংখ্য ধন্যবাদ ।

২৫. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:০৬

comment by: অবজারভার বলেছেন: রাইসু ভাইকে বলি, এতদিন ধরে ব্লগাচ্ছেন, এখনো লিংক দেয়াটা শিখেন নি নাকি? অন্যের থেকে শেখায় কি আপনার অ্যালার্জি আছে? এইটা থাকা ভালো না।
২৬. ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:২০

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: সবাইকে ধন্যবাদ।
২৭. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৩৫

comment by: ব্রাত্য রাইসু বলেছেন: ডিয়ার অবজারভার,
আমি এক রকম শিখছিলাম, তখন এইখানে লিংক দিতে পারতাম। ওই দিন লিংক দিতে গিয়া দেখি এই রকম হইল। সময় ছিল না তখন।

আমার কোনো আপত্তি নাই শিখতে। আপনি বলেন কী করতে হবে?

২৮. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:২৮

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: অবজারভার সাহেবের পুন্য অর্জনের পথে একটা মিসাল যোগ করতে চাই। ফরহাদ মজহার সাহেব নিয়মিত নয়া দিগন্তে লেখেন। অতএব নিয়মিত পত্রিকাটি এস্তেমাল করুন। বহুত ফায়দা হবে। আপনার পুন্য অর্জন নিরবচ্ছিন্ন হউক।
২৯. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫৩

comment by: আহমেদুর রশীদ বলেছেন: একটা প্রশ্ন জাগলো-ফরহাদ মাজহার কাদের লোক কিংবা কারা ফরহাদ মাজহারের লোক?
৩০. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫৬

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: প্রশ্নটা আরেকটু স্পষ্ট করেন রশীদ ভাই।
৩১. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৪৯

comment by: অবজারভার বলেছেন: রাইসু ভাই, শুনে ভালো লাগল। আমি আপনাকে শিখাবার চেষ্টা না করে, বরং একটা লিংক দেই। ক্লিক করুন
৩২. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৯

comment by: অবজারভার বলেছেন: মাহবুব মোর্শেদ, যায়যায়দিন পড়তে হয় আপনার মতো জ্ঞানী ওখানে কাজ করেন বলে। এখন আবার নিয়মিত নয়াদিগন্তও পড়তে হবে? ফরহাদ মজহারের লেখা পড়তে চাই বলে নয়াদিগন্ত পত্রিকাটিও নিয়মিত দেখা তো সম্ভব না জনাব! বরং তিনি লিখলে আপনি লিংক দিয়েন, তাতে আমার যেমন পুণ্য, সরবরাহের জন্য আপনারও। এই সুযোগটি আপনি হেলায় হারাতে চান কেন?
৩৩. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৪

comment by: আহমেদুর রশীদ বলেছেন: প্রশ্নটা অস্পষ্ট কোথায়?ফরহাদ মাজহারকে নিয়ে যে বিতর্ক চলছে তাতে তো এই প্রশ্ন জাগতেই পারে? এই ব্লগে ফরহাদ মাজহার সম্পর্কে জানা শোনা লোক অনেকে আছেন।তাদের কাছ থেকে এই প্রসঙ্গে
জানতে চাই।
৩৪. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:১৭

comment by: অবজারভার বলেছেন: আমারও মনে হচ্ছে যে এই প্রশ্নটার একটা উত্তর পাওয়া দরকার।

আমরা প্রশ্নটা বুঝতে পারলাম, আর মাহবুব মোর্শেদ বুঝতে পারছেন না কেন সেটাই তো আমরা বুঝতে পারছি না।

৩৫. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:২৮

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: জনাব অবজারভার,
আমি সাধারণত লোকহিতকর কাজ করি না। আপনার উপকার হয় এমন কাজ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। অতএব ধন্যবাদ। আহমেদুর রশীদের প্রশ্ন আপনি বুঝতে পারলে আমারে বুঝান।
রশীদ ভাই,
ফরহাদ মজহারের একটা কলামের লিঙ্ক আমি দিছি। এর সঙ্গে ফরহাদ মজহার কাদের লোক বা কারা ফরহাদ মজহারের লোক এই প্রশ্ন আসে কেন? এ প্রশ্নের গুরুত্ব ও অর্থ আমি বুঝতে নারি। আপনি মনে হয় জানেন এর উত্তর। উত্তরটা দেয়ার দায়িত্বও কিন্তু আপনার।
৩৬. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৩৯

comment by: অবজারভার বলেছেন: আপনি তো এই লিঙ্কটা দিয়েও লোকহিতকর কাজই করেছিলেন। ২৫ তারিখে যে কাজ করেছেন, ৩০ তারিখে এসে বলছেন ‘আমি সাধারণত লোকহিতকর কাজ করি না’। এরকম পরস্পরবিরোধিতা কি ভালো দেখায়?

আরেকটা কথাও এখানে প্রাসঙ্গিক। যদি আপনি লোকহিতকর কাজ করেন না কথাটা ঠিক হয়। তাহলে বলতে হবে ২৫ তারিখে আপনি ‘দলহিতকর’ কাজ করেছেন। সেটা সত্য হলে আহমেদ রশীদের প্রশ্নের জবাবটাও এখান থেকে বেরিয়ে আসে।

৩৭. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৫৬

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: আপনার কেন ধারণা হইল যে মতামত প্রকাশ করা অথবা মতামত শেয়ার করা একটা লোকহিতকর কাজ? আপনাকে স্পষ্ট করে বলি, জন বা লোক হিতের জন্য আমি লিখিও না, ব্লগিংও করি না। আপনে করলে করেন। আমার কিছু আসে যায় না।

দলহিতকর মানে কী?
আপনি কী বুঝাইতে চান?

৩৮. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৪১

comment by: অবজারভার বলেছেন: আমার জানামতে, আপনি এত অবুঝ মানুষ না, যে ‘দলহিতকর’ কথাটার মানে আপনাকে পুনরায় ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দিতে হবে। আমি ওই শব্দ দিয়ে কী বুঝাতে চাই, তাও আপনি বুঝেছেন বলেই ধারণা করি। মূলপ্রশ্নকে উপেক্ষা করার নানারকম পন্থা আছে, আপনি পালটা প্রশ্ন করে সেসবেরই একটি অবলম্বন করছেন মাত্র। আমি অন্তত এটা বুঝতে পেরেছি।
৩৯. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৪৫

comment by: অচেনা বাঙালি বলেছেন: জব্বারের বলী খেলা শুরু হইছে।
আমি কিন্তু রেফারি
৪০. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০০

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: অবজারভার সাহেব,
আপনার ইঙ্গিত সংকেত বুঝার মতো জ্ঞান আল্লায় আমাকে দেয় নাই। আপনি বেশি বুঝে থাকলে থাকতে পারেন। লেকিন বেশি বুঝার অভ্যাস আমার নাই। একটা সাফ কথা বলি, লাগতে আসলে সরাসরি গালি দিয়া লাগেন। আড়ালে আবডালে গালি দিলে আমি খেলি না। আপনার ভড়ং রেখে ঝেড়ে কাশেন। গালি দিতে চান দিয়া ফেলেন। দেরি কইরেন না। আপনে কী বুঝাইতে চান সেইটা বুঝার জন্য কোনো গবেষণা করতে আমি প্রস্তুত না।
৪১. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০১

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: অচেনা বাঙালি,
ধন্যবাদ।
৪২. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২২

comment by: অবজারভার বলেছেন: আমি আমার কোনো কমেন্টেই আপনাকে গালি দেই নি। দয়া করে গালি দেওয়াবেন না, আশা করি। আর আমার কমেন্টে কোনো ভড়ং ছিল না, ব্যক্তিগতভাবে আমি ভড়ং করা পছন্দ করি না।

আপনি যখন ঝেড়ে কাশতে বলছেন তখন বলি—আমি বলতে চাই যে ফরহাদ মজহারের লেখায় যে দলের পক্ষে সাফাই গাওয়া হয়েছে, আপনিও সেই দলকে সমর্থন করেন। কারণ লেখাটি পোস্ট করার সময় আপনি লিখেছেন ‘ফরহাদ মজহার মজার কিছু বিষয় ধরেছেন।’ যিনি এই লেখার এরকম একটি ক্যাপশন লিখেন, তার এই পরিচিতি গোপন থাকে না।

‘দলহিতকর’ প্রসঙ্গে বলি, আপনার লিংক সরবরাহ করা ওই দলের পক্ষে হিতকর হয়েছে। কারণ লেখাটিতে ছিল ওই দলটিরই সাফাই।

আপনার এই সমর্থন কতদূর দলটির লক্ষ্য-উদ্দেশ্য জেনেবুঝে তা আমি বলতে পারব না। তবে এটা বলতে পারি যে ফরহাদ মজহার সমর্থন করেন বলে আপনি করেন। কারণ আপনি ফরহাদ মজহারের লোক। ফরহাদ মজহার আপনার লোক।

আমার কি আরো ঝেড়ে কাশার দরকার আছে বলে মনে করেন আপনি?

৪৩. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২৬

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: আরো কাশেন।
৪৪. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২৮

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: আপনার মতো গোয়েন্দা বুদ্ধিজীবীরা কাশলে হালকা হবেন। কাশেন আরো কাশেন।
৪৫. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:২৯

comment by: অবজারভার বলেছেন: আমি খেয়ে এসেছি আমার ঘর থেকে। বনের মোষ তাড়াতে পারব না। যা বলার বলেছি, আপনি খণ্ডন করেন।
৪৬. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩১

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: আমি তাহলে ইন্ডিপেন্ডেন্ট পত্রিকার লোক নাকি? ওদের লিঙ্কও তো দিছিলাম।
৪৭. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩২

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: আপনের লেখা আপনেই খণ্ডন করেন। আমি পারবো না।
৪৮. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৩

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: আমি এই সাইটে কত লিঙ্ক দিছি জনেন? এ যাবত?
৪৯. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৯

comment by: অবজারভার বলেছেন: তাহলে দাঁড়াল এই যে, আমার শেষ কমেন্টে যা বলেছি সবটার সাথেই আপনি একমত।

কমেন্টগুলো মুছবেন না দয়া করে।

বাই বাই, টাটা।

৫০. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:০৬

comment by: মুজিব মেহদী বলেছেন: এত বড়ো খেলা হয়ে গেল কিন্তু স্বঘোষিত রেফারির দেখাই পাওয়া গেল না। এটা কেমন কথা।
৫১. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:১৩

comment by: অচেনা বাঙালি বলেছেন: আর্রে আমি আছিতো।

আমি এখন ১০ গুনুম। ১ .

৫২. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:২৪

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: গুনতে থাকেন। অচেনা বাঙালি।
অবজারভার,
আপনেতো খুব বুঝদার লোক!
৫৩. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:২৪

comment by: মুজিব মেহদী বলেছেন: অচেনা বাঙালি, খেল তো ইতোমধ্যে খতম। পুরস্কার কারে দিবেন হেইডা কন।
৫৪. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:২৬

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: হ ঘোষণা দেন অচেনা বাঙালি।
৫৫. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৩৬

comment by: জেন সাধু বলেছেন: সাধু!
৫৬. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:২২

comment by: আহমেদুর রশীদ বলেছেন: প্রিয় মাহবুব মোর্শেদ,আপনার লিন্ক দেয়ার সাথে আমার প্রশ্নের কোন সম্পর্ক নাই।আমি শুধু প্রসঙ্গ ধরে বিতর্কটা উসকে দিতে চেয়েছি।এ পর্যন্ত যতটুকু হয়েছে তাতে খেল খতম হয়েছে বলে আমি মনে করি না।ফরহাদ মাজহার একসময় আমাদের মাথায় অনেক চিন্তার বীজ বপন করেছিলেন।তাকে নিয়ে আমরা এখন ধন্দে পরে যাই।বিভ্রান্তিতে থাকি। এই কারণেই আমার প্রশ্ন,এই উসকে দিতে চাওয়া।
৫৭. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫০

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: অবজারভার মহাশয়,
আপনার জেতার আগ্রহ দেখে তর্ক করার বিশেষ কোনো প্রবৃত্তি রাখা মুশকিল। তবে আপনার মতামতের স্ফূর্তি দেখে আমার যথেষ্ট বিস্ময় জন্মেছে সন্দেহ নাই। প্রথম আলো বিষয়ে আমার কী মত সেটা আমি বলেছি। এ নিয়া আলাদা একটা পোস্ট দিয়েছি। সম্ভবত আপনি তা খেয়াল করেন নাই। খেয়াল করেন নাই বলেই অযথা বাগবিস্তার করার অবকাশ পেয়েছেন। আমার মতটি স্পষ্ট ছিল। লেখাটি লিখার আগে ও পরে আমি ব্লগে ও অন্যত্র প্রথম আলো নিয়া যে আলোচনা হয়েছে তা পড়ার চেষ্টা করেছি। আর এই চেষ্টা থেকেই ফরহাদ মজহারের লেখাটিও পড়েছি। আমার এলেমে, ফরহাদ মজহার বিজ্ঞ ব্যক্তি। তার সঙ্গে আমার মতের মিল অমিলের কথা যদি বিচারে নাও আনি তারপরও তার লেখা পড়াটাকে আমি একটা কাজ বলে মনে করি। এইটা নিয়া আপনার আফসোস থাকতে পারে, খেদ থাকতে পারে। আপনের মতো আলেমরা মনে করতে পারেন, ফরহাদের লেখা পইড়া আপনাদের কাজ নাই। আপনেরা আপনাদর স্থানে বহাল তবিয়তে থাকেন। অন্তত আমার কিছু যায় আসে না।
সমাজে যখন বহুস্বর ও বহুমতের চর্চা হয় তখন সকলের কথা শোনার অভ্যাস করাটা একটা সাধারণ চর্চা। এই মানসিকতা থেকে আমি আপনার অপ্রয়োজনীয় কথা শুনতেও প্রস্তুত।
কিন্তু আপনার ব্লগে গিয়া আমি বাগড়া দিতে যাব না যে আপনে এই কথাটা কেন কইলেন, জবাব দেন। আপনে কোন দল করেন বলেন। আপনার জন্ম কই কন।
আমি ফরহাদ মজহারকে সমর্থন অসমর্থন কিছু করি নাই। শুধু তার লেখার লিঙ্ক দিছিলাম। ব্লগে বাইরের কোনো ভাল/গুরুত্বপূর্ণ/প্রয়োজনীয় লিঙ্ক দেয়ার রেওয়াজ অনেক পুরানা। এই নিয়া কোন সংকট আছে বলে মনে হয় না। কিন্তু আপনি এইখানে সংকট তো দেখতেই পাইছেন। কে কার দলের লোক এইটাও দেখছেন। শুধু তাই না, হিজবুত তাহরীর দলের লোক হিসাবে আমারে শনাক্ত করার প্রয়াসও পাইছেন।
ফরহাদ মজহারের লেখার লিঙ্ক দেয়ার পর অনেকেই তাদের মন্তব্য জানাইছেন। আমি শুধু ধন্যবাদ দিছি। দুইজন তাদের ব্লগে নিজের মতো করে আলোচনা করছেন। এইটা তাদের একান্ত সিলেকশনের ব্যাপার। কিন্তু আপনে যে এইটা থেকে দল বের কইরা সেই দলে আমাকে ঢুকানোর আনন্দে আত্মহারা হয়ে বাড়ি ফিরতে চান কেন এইটা আমার বোধগম্য নয়। আপনার যুক্তি আমার কাছে স্পষ্ট হয় নাই। আপনার কথা বলার প্রক্রিয়ার মধ্যে ভণ্ডামী আছে, চাতুর্য আছে, আবার সাধারণ ভব্যতার লংঘনও আছে।
আর বিতর্কে জেতার যে গ্রাম্য পন্থা আপনে অবলম্বন করছেন সেইটা ছাড়ারা পরামর্শ দেয়াটা মনে হয় আমার আশু কর্তব্য।
আপনি প্রগতিশীলতার বিজয় নিশান উড়াইতে চান ভাল কথা। তর্কে জিততে চান তাও ভাল কথা। কিন্তু আপনার সেঙ্গ যার দ্বিমত আছে তার কথা শোনার ব্যাপারেও আপনার এত অনাগ্রহ এইটা কেমন কথা? ফরহাদ মজহারের লেখার লিঙ্ক দেয়াটাকে যে গর্হিত অপরাধ হিসেবে আপনে বিচার করছেন, যে মূল্যবোধ থেকে সেটা করছেন তার দুই আনা মূল্যও আমার কাছে নাই। এই ধরনের দিকদিশাহীন প্রগতিশীলতাকে আমি পুছি না।
পরিশেষে শুধু এইটুকু বলি, প্রথম আলো বিষয়ে আমার মতের সঙ্গে আপনার দ্বিমত থাকলে এবং আলোচনার রুচি থাকলে আসেন আলাপ করি।
ফরহাদ মজহারের প্রবন্ধ নিয়া নিজের জ্ঞান ফলাবার আগ্রহ থাকলে নিজের ক্ষেতে গিয়া ফলান। তর্কে জিতার চেষ্টা বাদ দিয়ে তর্কটা কী এইটা আগে বুঝার চেষ্টা করেন।
৫৮. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১১:৪৭

comment by: অবজারভার বলেছেন: জনাব মাহবুব মোর্শেদ, আপনার এবারকার কথাবার্তা বেয়াদবির পর্যায়ে অবনত হয়ে গেছে। যখন কথাবার্তা চলছিল, তখন কেঁচোর মতো কেবল পিছলে গেছেন, আর এখন একখান প্রবন্ধ লিখে অবজারভারকে গালি দিচ্ছেন— এটা আপনার কোন ধরনের ভব্যতা?

আপনি ব্লগের পুরানো লোক, এতদিন যেমন করে এটাকে আপনি আপনার নিজের জায়গা বলে ভেবে এসেছেন, এখনো তাই ভাবেন। আমি বেদখল দিতে আসি নি। তবে ব্লগে যতদিন আছি, একজন ভণ্ডের মুখোশও যদি উন্মোচন করতে পারি, তবে একটা কাজের কাজ হবে বলে মনে করছি।

এবার আপনার প্রতিক্রিয়ার কিছু অংশের সুনির্দিষ্ট জবাব দেবার চেষ্টা করি।
১.প্রথম আলো বিষয়ে আপনার লেখাটা আমি সময়মতোই অবজারভ করেছি। ওই লেখার মতের সাথে আমি একমত নই। একমত না হলেও ওখানে কথা বলতে ইচ্ছে করে নি। কারণ ওই ব্যাপারে আমার কথা আমি বিভিন্নজনের পোস্টে কমেন্ট আকারে বলেছি। প্রথম আলো বিষয়ে আপনার লেখায় গিয়ে আমার আলাপ করবার রুচি নেই। যদি দরকার হয় তাহলে পরে নতুন পোস্ট দেব।
২.ফরহাদ মজহারের বিস্তর লেখা পড়ার সৌভাগ্য বা দুর্ভাগ্য আমার হয়েছে। আপনি যখন শিশু তখন থেকেই আমি তাঁর পাণ্ডিত্য সম্পর্কে নিঃসন্ধিগ্ধ ছিলাম। কিন্তু তাঁর শিষ্যত্ব বরণ করাকে প্রয়োজনীয় জ্ঞান করি নি। তাঁর সমস্ত প্রজ্ঞা প্রতিক্রিয়াশীলতার দিকে বেঁকে গেছে বলে এখন তাঁর সকল মতকেই অন্য অনেকের মতো আমি সন্দেহের চোখে দেখি।
৩. আমাদের মত-অমত জানার ব্যাপারে আপনার অনাগ্রহ থাকতে পারে, কারণ প্রতিক্রিয়াশীলরা অগণতান্ত্রিক হয়। আমি গণতান্ত্রিক, আমার আপনার এবং আপনার গুরুর মত জানার দরকার আছে। আপনার ও আপনাদের মতের ব্যাপারে আমার অনেক কিছু যায় ও আসে।
৪. আপনি কী করে নিশ্চিত যে, আপনি ব্লগে যেসব কথাবার্তা বলেন সব খুব প্রয়োজনীয়? আপনার সতীর্থ ব্লগারদের মত তো অন্যরকম। আমার কথা আপনার কাছে অপ্রয়োজনীয় হতে পারে, কিন্তু এরকম অপ্রয়োজনীয় কথা বলাটাকে আমি জরুরি মনে করি।
৫. আমি আপনাকে হিজবুত তাহরীর দলের লোক ভাববার প্রয়াস পেয়েছি বলে আবারও আপনি প্রসঙ্গটাকে পাশ কাটাচ্ছেন। ঝেড়ে কেশে বলেন যে আপনি ওই দলের লোক কি না এবং ফরহাদ মজহার আপনার গুরু কি না।
৬ আমার যুক্তি আপনার কাছে স্পষ্ট হবে না। কারণ আপনার যুক্তি গ্রহণের মানসিকতা নেই। আপনি আমার কথা বলার প্রক্রিয়ার মধ্যে ‘ভণ্ডামী’, ‘চাতুর্য’, ‘সাধারণ ভব্যতার লংঘন’
আবিষ্কার করেছেন। ব্লগে পুরানো বলে আপনাকে গুরু ঠাউরিয়ে যা বলবেন তা না পড়েই তার সঙ্গে হে হে করার মতো ভোদাই অন্তত আমি নই। ফলে আমাকে আপনার কাছে ওরকম মনে হওয়ারই কথা।
৭.বিতর্কে জেতার পন্থা গ্রাম্য, এ জ্ঞান আপনাকে কে দিয়েছে? আর আমার পন্থা কীভাবে গ্রাম্য হলো তার ব্যাখ্যা দেন।
৮. আপনি আমার প্রগতিশীলতার কী জানেন যে বললেন ‘দিকদিশাহীন’? ফরহাদ মজহারের শিষ্য না হলে কি এ জগতে সত্যিই দিশা মেলা ভার? আপনি হাসালেন।
৯. তর্কে জেতার চেষ্টা বাদ দিলাম। এইবার বলেন তর্কটা আসলে কী?

সবশেষে বলি, এ কমেন্টের প্রতিক্রিয়ায় আপনার যদি কিছু বলার থাকে, তাহলে বলবেন আমি পড়ব, কিন্তু এরপরে আমি আর কোনো কমেন্ট করব না। আপনার অগণতান্ত্রিক মানসিকতার কারণে আমি এই লেখার কমেন্ট স্পেস থেকে ওয়াকআউট করলাম। তবে সরাসরি কথা না বলে প্রসঙ্গকে প্যাঁচিয়ে জিলিপি বানিয়ে আবারও ব্যক্তি আক্রমণ করলে বাধ্য হয়ে আমি আবারো কথা বলব।

৫৯. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১২:০৩

comment by: অচেনা বাঙালি বলেছেন: মুজিব মেহদী বেশি বুইঝেন্না।

খেল কিভাবে বন্ধ করব চিন্তা করতেছি ।

৬০. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ২:১৮

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: # আমি যখন শিশু আছিলাম অবজারভার তখন ফরহাদ মজহারের পাণ্ডিত্য সম্পর্কে নিঃসন্ধিগ্ধ হইতে আছিল #

এমটিভিতে একটা গান ইদানিং প্রায়ই শুনি। অগ্নি ব্যান্ডের গান। গানের কথা কবীরের। কবীর বলেন, কবীর যব পয়দা হুয়া থা, মানে কবীরের যখন জন্ম হয় তখন কবীর একা কাঁদতেছিল আর সবাই হাসতেছিল। কবীরের কথার অন্তর্গত তাৎপর্য বোঝা কঠিন। তবে কিছু অনুধাবন করা যায়। এখন অবজারভারের কমেন্ট পড়ে আবার কবীরের সেই কথাগুলো মনে হইল। আমি যখন শিশু ছিলাম তখন অবজারভার ফরহাদ মজহারের লেখা পড়তেছিলেন। আমি যখন আঙিনায় হাঁটি হাঁটি পা পা তখন অবজারভার মশায়ের কাছে ফরহাদ মজহারের শিষ্যত্ব গ্রহণের প্রস্তাব আসতেছে আর উনি সমানে এনকার করে যাইতেছেন। আমার জন্ম ১৯৭৭ সালে। ৭৭+১৮=৯৫ মনে জৈবকিভাবে আমি ৯৫ সাল অবধি শিশু আছিলাম। তখন অবজারভার রীতিমতো বুদ্ধিজীবী। অলরেডি ৯৫ সালের আগেই তিনি ফরহাদ মজহারের পাণ্ডিত্য বিচারের সক্ষমতা অর্জন করেছেন। ফলে প্রশ্ন জাগে, কেমনে করলেন? কী দেখে করলেন? কীভাবে করলেন। এই বৃদ্ধ বয়সে সেসব দিনের কোনো স্মৃতি কি আপনার মনে পড়ে অবজারভার দাদু?
অবজারভার মশায় দায়িত্ব নিয়েছেন, ব্লগে অন্তত একজন ভণ্ডের মুখোশ উন্মোচন করবেন। ভাল কথা। উত্তম প্রস্তাব। যিনি নিজেই একখানা মুখোশ পরে আছেন তিনি আরেকজনের মুখোশ খুলিবেন। হাহ! প্রশ্ন অবজারভার কেঠা? কবি নিরব। অবজারভার কেউ না। ভণ্ডের মুখোশ উন্মোচনের দায়িত্ব পালনকারী একজন ভণ্ড কি তিনি? নিজের মুখোশখানা খুলে তারপর আসেন ভাই। কে ভণ্ড বের হউক। আমি আপনারে চিনি না। আপনার নাম জানি না। আপনার পরিচয় নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। যেহেতু এইটা আপনার নাম না। ফলে আছুন আগে নিজের মুখোশটা খুলি।
আপনার তর্কের পদ্ধতি থেকে আপনার জ্ঞান প্রজ্ঞা ও বিচারবোধ নিয়া আমার যথেষ্ট সন্দেহ তৈরি হয়েছে। খিয়াল করে নাও থাকতে পারেন যে, এই ধরনের লোকদের সঙ্গে আমি কোনো তর্ক করি না। ফলে আপনার মতো অজ্ঞাতকূলশীল বুদ্ধিজীবীর সঙ্গে তর্কে জড়িত হওয়ার ইচ্ছা আমার আছিল না। কিন্তু বুঝেন তো। মানুষ যখন জিততে চায় তখন তার জেতার ঘটনাটা দেখতে ভাল লাগে। আপনে আমার লগে তর্ক করে জিততে চাইতেছেন এইটাতে খুব আনন্দ পাইছিলাম। আপনার তো তর সইছিল না। তাই ওইরকম পিছলা পিছলি করতে ছিলাম। আমার হাতে সত্যিই সময় তখন কম ছিল। কিন্তু আপনি পণ করেই বসেছেন জিতবেন। অচেনাও রেফারি হিসেবে হাজির হয়েছিলেন। তৎক্ষণাত না জিতলে কি চলে বলেন? আপনার তাড়াহুড়া কিন্তু বলে না আপনার বয়স এমন হয়েছে যে আমি শিশু থাকা অবস্থায় আপনি ফরহাদ মজহারের পাণ্ডিত্য বিচার করে ফেলছিলেন। নাবালক হয়ে সাবালকের ভান কেন ধরেন মশাই?

৬১. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ২:২৪

comment by: অচেনা বাঙালি বলেছেন: এইবার রেফারির খবর আছে!
৬২. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ২:২৮

comment by: ফেলুদা বলেছেন: জামাতের পর এখন মজহার শুরু করছে।
৬৩. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩২

comment by: জেন সাধু বলেছেন: পচা’স।
৬৪. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৫

comment by: অভিক শাওন বলেছেন: সব আলোচনাই দেকছি না বুঝে হচ্ছে।এক নদীর জল কলসিতে করে আরেক নদীতে নেয়ার কোশেস….বাব্বা কত বুদ্দিমানের কাজ!করো বাছারা কাজ করো।
৬৫. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১০:৪৫

comment by: ব্রাত্য রাইসু বলেছেন: “রাইসু ভাইকে বলি, এতদিন ধরে ব্লগাচ্ছেন, এখনো লিংক দেয়াটা শিখেন নি নাকি? অন্যের থেকে শেখায় কি আপনার অ্যালার্জি আছে? এইটা থাকা ভালো না।” এই পোস্টে অবজারভার-এর মন্তব্য, তারিখ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০০৭।

আমি ভাবছিলাম এই লিংক দেওয়াটা অবজারভার অনেক দিন থিকাই পারেন। কিন্তু না, উনি এইটা শিখছেন আমারে শিখতে বলার ১৩ দিন আগে।

ওনার !@@!1811912 !@@!1811913 উদাহরণ হিসাবে এইখানে দিলাম। যাতে কাউরে শিখতে বলার সময় ভাষাটা স্মুথ হয়।

১. প্প্ব্বপ্প্মপ্প্বেুপ্প্ব্ত্র প্প্বমপ্প্ম্ক প্প্ব্রপ্প্বজ্জপ্প্বক্কপ্প্ব্ত্র প্প্বঙ্প্প্ব্ত্র প্প্ব্যপ্প্বজ্জ! প্প্ব্যপ্প্বজ্জ প্প্ব্রপ্প্বজ্জপ্প্বক্কপ্প্বক্ষ্মপ্প্ম েপ্প্বগুপ্প্ম্ক্রপ্প্বক্কপ্প্ব্লপ্প্মপ্প্বেক্ক প্প্ব্বপ্প্ম্কপ্প্বক্সপ্প্মম
প্প্বৃপ্প্ব্লপ্প্ব্নপ্প্বজ্জপ্প্বক্কপ্প্ব্লপ্প্বজ্জপ্প্বক্ক[লিংক=যঃঃঢ়://িি.িংড়সবযিবৎবরহনষড়ম.হবঃ/][/লিংক]

২. প্প্বগুপ্প্ম্ক্রপ্প্বক্কপ্প্ব্ল প্প্বষপ্প্বজ্জপ্প্বগুপ্প্ম প্প্ব্বপ্প্বজ্জপ্প্বক্ক প্প্ব্লপ্প্বজ্জপ্প্বক্ষ্মপ্প্ম্ক প্প্ব্যপ্প্বজ্জপ্প্মম প্প্বমপ্প্ব্লপ্প্ম প্প্বপ্প্ব্লেপ্প্বজ্জপ্প্বক্ক প্প্ব্বপ্প্মপ্প্বেুপ্প্ব্ত্র
[লিংক=যঃঃঢ়://িি.িংড়সবযিবৎবরহনষড়ম.হবঃ][প্প্বৃপ্প্ব্লপ্প্ব্নপ্প্বজ্জপ্প্বক্কপ্প্ব্লপ্প্বজ্জপ্প্বক্ক/লিংক]

৩. তৃতীয়বার চেষ্টা করছি। এবার না পারলে সম্পূর্ণ দোষ সৌরভের।
[লিংক=যঃঃঢ়://িি.িংড়সবযিবৎবরহনষড়ম.হবঃ][অবজারভারলিংক]

৪. [লিংক=যঃঃঢ়://িি.িংড়সবযিবৎবরহনষড়ম.হবঃ][প্প্বৃপ্প্ব্লপ্প্ব্নপ্প্বজ্জপ্প্বক্কপ্প্ব্লপ্প্বজ্জপ্প্বক্ক/লিংক]

৫. [লিংক=যঃঃঢ়://িি.িংড়সবযিবৎবরহনষড়ম.হবঃ/প্প্বৃপ্প্ব্লপ্প্ব্নপ্প্বজ্জপ্প্বক্কপ্প্ব্লপ্প্বজ্জপ্প্বক্ক][/লিংক]

৬. প্প্বপ্প্বেষপ্প্ব্ত্র প্প্ব প্প্বঙ্প্প্ব্বপ্প্বজ্জ প্প্ব্লপ্প্ম্কপ্প্ব্বপ্প্বজ্জপ্প্বপ্প্মেম
[লিংক=যঃঃঢ়://িি.িংড়সবযিবৎবরহনষড়ম.হবঃ/প্প্ব্লপ্প্ম্কপ্প্ব্বপ্প্বজ্জপ্প্ব]ে[/লিংক]

৭. [লিংক=যঃঃঢ়://িি.িংড়সবযিবৎবরহনষড়ম.হবঃ/প্প্বৃপ্প্ব্লপ্প্ব্নপ্প্বজ্জপ্প্বক্কপ্প্ব্লপ্প্বজ্জপ্প্বক্ক][/লিংক]

৮. এতবার চেষ্টার পরে যে পারে তারে ভোদাই ছাড়া আর কী বলা যায়! এতক্ষণ একদম চিন্তা না করে দেখছিলাম আর করছিলাম। যখনই যুক্তির সাথে চিন্তা করে করলাম, তখনই হলো।
অবজারভার

ডিয়ার অবজারভার,
আমার কোনো অ্যালার্জি নাই। আর্জি আছে একটা। ‘এতদিন ধরে ব্লগাচ্ছেন’ এইটা ধমকের সুর। বি পোলাইট! অন্তত আপনের অনুশীলন ইঙ্গিত দেয়, আপনে চাইলে পারবেন। আর অন্যদেরও লিংক দেওয়াটা শিখতে বলতে পারি আমরা। এখন থেকে আমি আপনের সঙ্গে আছি। তবে নরম সুরে, হে?

দেখা যাক কয় বারের বার লিংক কার্যকর হয়। সকল ক্ষেত্রই শিক্ষণের।

৬৬. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৫

comment by: মুজিব মেহদী বলেছেন: এবার আমি রেফারি। অবশ্য ব্রাত্য রাইসু ও অবজারভার সাহেব না মানলে নাই।
৬৭. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৫:১৯

comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: ফরহাদ মজহার বিষয়ে এস্কিমো ব্লগটিতে ইতিপূর্বে কিছু আলোচনা হয়েছে। তবে ওখানে কিছু মন্তব্য এসেছে অন্তঃসারশুণ্য স্রেফ বিরোধিতা।

আমার মনে হয়, সমসাময়িক অনেকের চিন্তা স্তরের উপরের স্তরে আছেন ফরহাদ মজহার। ফলে মিসআন্ডারস্ট্যান্ডিং হচ্ছে ক্রমশ। আর ব্যাক্তির বৈষয়িক আচরণের সাথে তার মেধাজাত বক্তব্যের বৈপরীত্য থাকতেই পারে।

ফরহাদ মজহার রাজনৈতিক বিষয়গুলোকে ফিলোসফিক্যালি এনালাইস করেন, যা বাস্তবিক দৃষ্টিভঙ্গিধারীরা মেনে নিতে পারেন না। কোনো বিষয়ের দার্শনিক ব্যাখা বাস্তবের রাজনীতির পক্ষ বিপক্ষের সাথে বেখাপ্পা হয়।
যেমন আমাদের দেশের অনেক রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিধারী লেখক সমালোচক তলস্তয়ের ‘দি ওয়ার এন্ড পিস’র আলোকে আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে বিশ্লেষণ করতে চান না।

কোনো বিষয়ের দার্শনিক ব্যাখ্যায় সত্যের কাছাকাছি হওয়ার প্রবণতা থাকে। উল্টাদিকে রাজনৈতিক ব্যাখ্যায় পক্ষে কিংবা বিপক্ষে থাকার প্রবণতা থাকে।

৬৮. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৫:২০

comment by: অবজারভার বলেছেন: প্রিয় ব্রাত্য রাইসু,
আমি ব্লগার হিসেবে নতুন। আমার প্রথম ব্লগ পোস্ট হয় ২০০৭-০৮-২৯ ০৯:২১:৫৩-এ। আর এর বিপরীতে আপনার প্রথম ব্লগ পাওয়া যাচ্ছে ২০০৬-০১-৩০ ১৫:০৮:৪১-এ। আরো তথ্য দেই— আপনি সামহোয়ারইনের সর্বোচ্চ ব্লগারদের একজন। আপনার পোস্ট সংখ্যা আজ পর্যন্ত ২৬৬, কমেন্ট করেছেন ১০৪টি। এক্ষেত্রে আমার স্ট্যাটাস হলো : পোস্ট সংখ্যা ১১ এবং মন্তব্য ১৯৬টি। আমি লিংক দেয়া শিখেছি ২০০৭-০৯-১৬ ১২:০৫:০৫-এ, আর আপনি ২০০৭-১০-০৩ ১০:৪৫:২৩-এ। তো, আর কোনো উপসংহার যোগ করার দরকার আছে ?
নেই। কিন্তু অদরকারেই আমার দিক থেকে আরেকটু কথা আছে। তা হলো— আপনি উদ্ধৃত করেছেন, “‘এতদিন ধরে ব্লগাচ্ছেন’ এইটা ধমকের সুর।” না জনাব, আমি একমত নই। সবাই জানেন ‘ব্লগাচ্ছেন’ শব্দটা বাংলা ক্রিয়াপদের ঘটমান বর্তমানের একটা রূপ প্রকাশ করছে মাত্র। ['ব্লগ' শব্দটা একইসঙ্গে নামপদ ও ক্রিয়াপদ, যদিও এটার কোনো আভিধানিক প্রমাণ আমি দিতে পারব না, কারণ আমার আশপাশে থাকা অভিধানগুলোতে শব্দটা এখনো অন্তর্ভুক্ত হয় নি দেখলাম।]। এইখানে ধমকের সুর আছে তা একমাত্র সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ বললেই আমি মানব। আপনার অনুযোগটা কাজেই আমি নিতে পারলাম না।

আমি আপনাকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি, আপনার অনেক ব্যাপার পছন্দও করি। সে জায়গা থেকে অনেকটা বিস্ময় নিয়েই ওরকম বলেছিলাম। বলার স্বরে যদি আপনার কাছে সত্যিই ধমক ধরা পড়ে থাকে, তবে তার জন্য আমি দুঃখিত। প্রকৃতপক্ষে আমি ধমক দিতে চাই নি। বাঘকে বাগে পড়তে দেখলে শেয়ালের যেমন আনন্দ হয়, ওটা অনেকটা তেমনই ছিল।

আপনার সঙ্গে ঝগড়ার আগ্রহ আমার একদম নেই। কারণ এক. আপনি আমার পছন্দের মানুষ, দুই. ঝগড়া অনেক সময় খায়। প্লিজ ভুল বুঝবেন না।

হ্যাঁ, রাইসু ভাই। এখন থেকে ‘অন্যদেরও লিংক দেওয়াটা শিখতে বলতে পারি আমরা’।

৬৯. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৫:৫৯

comment by: চতুরভূজ বলেছেন: ব্যাক্তির বৈষয়িক আচরণের সাথে তার মেধাজাত বক্তব্যের বৈপরীত্য থাকতেই পারে। কাউকে বিচার করার জন্য কেবল মাত্র একটি দৃষ্টিভংগিই যথেষ্ট নয়। যারা বলে গেলেন ফরহাদ মাজহারের শষ্য হবের যোগ্যতা ছিল কিন্তু তিনি টুপি হয়ে গেলেন তারা কি তাঁর বিশ্লেষনকে মাঝখানে দাঁড়িয়ে আলোচনা করেছেন নাকি একপাশে সরে গিয়ে?
৭০. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৯:৪৭

comment by: অবজারভার বলেছেন: ‘ব্যাক্তির বৈষয়িক আচরণের সাথে তার মেধাজাত বক্তব্যের বৈপরীত্য থাকতেই পারে।’ না চতুরভূজ, আমি একমত নই। আমি এ কথাটিকে এরকম করে বলি : ‘ব্যক্তির বৈষয়িক আচরণের সাথে তাঁর মেধাজাত বক্তব্যের কমবেশি অমিল থাকতে পারে। তবে সেটা না থাকাই সঙ্গত।’ এটা থাকলে তা সমালোচনার জন্ম দেয়, দিয়েছেও। কারোর ভিতরে এই প্রবণতা থাকলে তাকে হিপোক্রেট বলা হয়। আপনি নিশ্চয়ই ফরহাদ মজহারকে হিপোক্রেট বলে প্রতিষ্ঠিত করতে চান না।

আপনি যা বলেছেন, সেটাকে যদি উদাহরণ দিয়ে দেখানো হয়, তাহলে দাঁড়ায় : একজন লোক নিয়মিত চুরি করে এবং বলে চুরি করা খারাপ। তোমরা কেউ চুরি করো না। আমি চুরি করাকে নিরুৎসাহিত করি, ইত্যাদি।

আরেকটি কথা, আপনি যে লেখা প্রসঙ্গে এই কথাটি বলেছেন, সেখানে কিন্তু এটা খাপেখাপে মিলছে না। কারণ এই লেখায় ফরহাদ মজহার যা, তাঁর স্বভাবজাত যুক্তি দিয়ে তিনি তা-ই লিখেছেন। কোথাও তাঁর বিপরীত চিন্তা স্থান পায় নি। মানে আপনার কথিত বৈপরীত্যের দেখা মিলে নি।
তাঁর যুক্তির ঈর্ষণীয় ক্ষমতা সম্পর্কে কার না জানা আছে। তিনি এমনকি রাস্তায় পড়ে থাকা দড়িকে সাপ হিসেবে প্রমাণ করতে পারেন। এটা কিন্তু তিনি দড়িকে সর্পভ্রম পর্যন্ত দাঁড় করিয়ে রাখেন না। বিশ্বাস করিয়ে দেন। এ কারণেই আমি তাঁর যুক্তিকে খুব ভয় পাই। তিনি বোকারাম হলে আমার জন্য ফরহাদ মজহার কী বলল না বলল তা কোনো ব্যাপার হিসেবেই গণ্য হতো না।

না জনাব, কাউকে বিচার করার জন্য একটি দৃষ্টিভঙ্গিই যথেষ্ট। একজন বিচারক তাঁর বিচার কাজে একাধিক দৃষ্টিভঙ্গি অবলম্বন করলে তাঁর বিচারকাজ নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। যেমন আপনার বিচার এক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে, আমারটা অন্য। সেটাই সঙ্গত।
এ কারণেই গবেষণায় কী প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সেটা গ্রহণ করা হবে কি হবে না সেটা যাচাই করবার জন্য তাঁর প্রসেস বা প্রক্রিয়া কী ছিল তা নিয়ে বেশি কথা খরচ করা হয়। আপনি জানেন, এই প্রসেস নির্বাচনটি নিয়ন্ত্রণ করে একজনের দৃষ্টিভঙ্গি এবং ওই গবেষণার নিহিত উদ্দেশ্য।

না, আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি না যে, আমি আমার আলাপচারিতায় মাঝখানে দাঁড়িয়ে কথা বলেছি। সেটা রেফারির কাজ। আমি আমার পক্ষেই যুক্তি বিস্তারের প্রয়াস পেয়েছিলাম। আপনি আপনার পক্ষে যুক্তি দিন প্লিজ।

৭১. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ১১:৩৭

comment by: আহমেদুর রশীদ বলেছেন: আমি ভেবেছিলাম ফরহাদ মাজহার এর উপর এখনো যাদের আস্হা নিরঙ্কুশ,তারা তাঁর বর্তমান মতাদর্শের পক্ষে যথার্তই ঝেরে কাশবেন।তার মানে কি এই দাড়াচ্ছে যে,ফরহাদ মাজহারের অন্ধ অনুরক্তরাও এখন তাঁর কথাবার্তায় ভরসা পাচ্ছেন না?
৭২. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ২:০১

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: সেই সেই সেই।
৭৩. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৫:১৭

comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: ফরহাদ মজহারের অন্ধ অনুরক্তগণ হয়তো এই ব্লগে আসেন নি! গুণী লোকদের কিছু অন্ধভক্ত থাকে।
তবে এখানে যদি তাঁর অবস্থান নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা হলে ভালো হতো।

আমার মত হলো, তাঁর অনেক কিছুই ভালো লাগে আবার অনেক কিছুই ভালো লাগে না। আমার ভালো না-লাগার ব্যাপারটিতে আমারই জ্ঞানের সীমাবদ্ধতাও থাকতে পারে।

৭৪. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৫:২৪

comment by: চতুরভূজ বলেছেন: অবজারভার,
আপনার সাথে তর্ক করা অর্থহীন। ফরহাদ মজহার কে আমি বিতর্কিত করতে চাইনা। “এই লেখায় ফরহাদ মজহার যা, তাঁর স্বভাবজাত যুক্তি দিয়ে তিনি তা-ই লিখেছেন। কোথাও তাঁর বিপরীত চিন্তা স্থান পায় নি। মানে আপনার কথিত বৈপরীত্যের দেখা মিলে নি।” – আপনি পুরো ব্যাপারটিকে এক লহমায় উল্টে দিয়েছেন দেখছি! ফারহাদ মজহার যা বলতে আপনি যদি বুঝে থাকেন যে সে নিয়মিত ভাবেই চুরি করে এবং বলে চুরি করা খারাপ। কিন্তু আবার এও বলেছেন যে তার যুক্তি খন্ডনের ঈর্ষনীয় ক্ষমতা রয়েছে। যদি একজন মানুষ তার এই গুণটি দিয়ে অন্যের হৃদয় জয় করতে পারে তবে তাতে ক্ষতি কি? ফরহাদ মজহার দেবতা নয়। আমি কেবল এ কথাটাই বলতে চেয়েছিলাম তবে সাথে এটাও বলতে চাইযে, আবারো ভেবে দেখুন একপেশে এবং পক্ষপাতদুষ্টতা বাদ দিয়ে।
৭৫. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ২:৪২

comment by: অভিক শাওন বলেছেন: ইউ অার রিয়ালি মডারেট মুসলিম।ব্যান তুইল্লা দিয়া বহুত ফজিলতের কাম কইরছইন।
৭৬. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১১:১৬

comment by: ফাহমিদুল হক বলেছেন: বাপস্, এই অবস্থা! এখানে না-ঢুকলে জানাই যেত না। মুজিব মেহেদীর ঐ কমেন্টটাই সই, ফরহাদ মজহারের পাণ্ডিত্য প্রতিক্রিয়াশীলতার দিকেই বেশি ব্যয়িত হচ্ছে। তবু তাকে পণ্ডিত বলা যাচ্ছে, দেশে ক’টা লোক আছে যাকে পণ্ডিত বলা যায়? মানি না মানি, তার লেখা পড়তে হয়। জোট সরকার আর হিজবুত তাহরীরের সঙ্গে সহবতই তো তার একমাত্র পরিচয় নয়।
৭৭. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৬

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: ফাহমিদুল হক,
থ্যাংকস ফর ইওর কমেন্ট।
৭৮. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩১

comment by: কেএসআমীন বলেছেন: পড়লাম, পরে আরও মনোযোগ দিয়ে পড়বো। ফরহাদ মজহার নয়াদিগন্তে লিখেন বা লিখতে পারেন তা এই প্রথম জানলাম। মানুষ সত্যিই বিচিত্র। এটা অনেকটা আল-মাহমুদ বা আবদুল মান্নান সৈয়দ এর মতোও হতে পারে। নাকি অন্য কিছু?
৭৯. ৩১ শে মার্চ, ২০০৮ ভোর ৬:৪৭

comment by: রিফাত হাসান বলেছেন: প্রতিক্রিয়াশীলতার অনেক রূপ আছে, বুদ্ধিবৃত্তির দৈনতাও কম নয়। ডেইলি অবজারভার সাহেব ফরহাদ মজহারকে ধরতে পাছেন না, এটা কি প্রতিক্রিয়াশীলতা, নাকি দৈনতা। আমি বুঝতে অক্ষম। কারণ তিনি কমেন্ট করেছেন, বিতর্ক বা আলোচনায় যাননি। এটা কোন ভীন্নমতকে মোকাবেলার সঠিক পদ্ধতি নয়। ফরহাদ মজহারকে পঠন পাঠন রপ্ত করা আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিকতার একটি দায়িত্ব জ্ঞান করি। তাকে পড়তে এবং বুঝতে না পারলে আমরা ব্যর্থ হবো। তিনি নয়াদিগন্তে লিখুন আর জামাতি সংগ্রামে লিখুন। কুছ পরোয়া নেই।
৩১ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:০৭

লেখক বলেছেন: হ।

৮০. ৩১ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৩৮

comment by: কেএসআমীন বলেছেন: আমার মনে হয় ওই দল থেকে তিনি মান্থলি পে অর্ডার পাচ্ছেন। ওনার প্রতিষ্ঠান এমনিতেই ভাল যাচ্ছে না আজকাল।
৮১. ১৮ ই মে, ২০০৮ দুপুর ২:৪৮

comment by: অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন: প্রিয় পোষ্ট।
১৮ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৩:২৫

লেখক বলেছেন: শুধু মন্তব্যের কারণে নির্বাচিত প্রিয় পোস্ট!
ধন্যবাদ শরৎ।

৮২. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৯

comment by: ফিরাখ রাইয়ান সুহান বলেছেন:
ফরহাদ মজহারকে শুধু জ্ঞানী বললে কম বলা হবে। তিনি এখানে যারা কমেন্ট করেছেন, নিঃসন্দেহে তাদের সবার চেয়ে অনেক বেশী জ্ঞানী। কিছু মানসিক সমস্যার কারনে এবং রাজনীতির ঘোলা স্রোতে হাবুডুবু খেয়ে তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। আর অস্তিত্ব রক্ষার তাগিদে ইতিহাসের অনেক মহারথীই ভুল মতে ভুল পথে পা বাড়িয়েছেন। তার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হচ্ছে তার ভীরুতা এবং কাপুরুষতা। এর বেশী কিছু বলতে চাইছিনা। আশা করি একদিন তার বোধোদয় হবে।
৮৩. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১২

comment by: রিসাত বলেছেন: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: অবজারভার সাহেব,
আপনার ইঙ্গিত সংকেত বুঝার মতো জ্ঞান আল্লায় আমাকে দেয় নাই। আপনি বেশি বুঝে থাকলে থাকতে পারেন। লেকিন বেশি বুঝার অভ্যাস আমার নাই। একটা সাফ কথা বলি, লাগতে আসলে সরাসরি গালি দিয়া লাগেন। আড়ালে আবডালে গালি দিলে আমি খেলি না। আপনার ভড়ং রেখে ঝেড়ে কাশেন। গালি দিতে চান দিয়া ফেলেন। দেরি কইরেন না। আপনে কী বুঝাইতে চান সেইটা বুঝার জন্য কোনো গবেষণা করতে আমি প্রস্তুত না।:D:D

মজাদার এবং উপাদেয় কমেন্ট

 

মডারেট মুসলিম কারা? # আবুকার আরমান March 5, 2009

Filed under: Uncategorized — mahbub morshed @ 7:15 am

০২ রা অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:১৮

শেয়ার করুন: Facebook

(মডারেট মুসলিম নিয়ে আলোচনা এখন খানিকটা স্তিমিত। কিছুদিন আগেও এ নিয়ে বাঘা পত্রিকাগুলো এ নিয়ে নিজেদের ব্যস্ত রাখতো। তখন লেখাটা অনুবাদ করছিলাম। এখন এখানে তুলে দিলাম।)

১১ সেপ্টেম্বর ২০০১ এর পর এবং বিপর্যয় সৃষ্টি করা ইরাক যুদ্ধের সময় থেকে বলা হচ্ছে, মডারেট মুসলিমরাই চরম ইসলামপন্থীদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সবচেয়ে সক্ষম পক্ষ। এমএম ফ্যাক্টর (মডারেট মুসলিম) এখন মনোযোগের কেন্দ্রে। কোনো কোনো মহলে এটা গ্রহণযোগ্যতাও পেয়েছে।
কিন্তু কারা এই মডারেট মুসলিম? কোন ভাবাদর্শ তাদের পরিচালনা করছে? তাদের যাচাই বাছাইয়ের মানদণ্ড কী? আরও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো, এ মানদণ্ডগুলোর ব্যাখ্যাই বা কে দেবে?
এই প্রশ্নে নিরপে বিতর্ক শুরুর আগেই ডেনিয়েল পাইপসের মতো নিওকনজারভেটিভ কর্মীরা এমএম ফ্যাক্টর নিয়ে বিতর্কে বাগড়া দিতে শুরু করেছেন। নিজেদের সুবিধা মতো একটা তালিকা তৈরির জন্য বলে বসেছেন ইসলামবিরোধী মুসলমানরাই এমএম। বিস্ময়কর নয় যে, এই তালিকায় আছেন পাইপসের বন্ধু, ভয়াবহ ইসলামবিরোধী, বিতর্কিত চরিত্র খালিদ দুরান ও টরোন্টো সিটির কুইন টেলিভিশনের উদ্যোক্তা ইরশাদ মানজি। আত্মস্বীকৃত নাস্তিক আযান হিরশি আলী। ইনি নিহত চলচ্চিত্র পরিচালক থিও ভ্যান গগ পরিচালিত মুসলমানের প্রতি আক্রমণাত্বক একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
এই ব্যক্তিরা প্রকাশভঙ্গির স্বাধীনতা চর্চা করছেন এবং সমস্যার পরিধিতে অবস্থান করে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠমোতে আঘাত করতে চাচ্ছেন। কিন্তু এই পদ্ধতি মুসলিম চরমপন্থাকে নরম করতে পারবে না। ইসলামকে তার প্রকৃত অবস্থায় অর্থাৎ নবী মোহাম্মদের অনুসৃত মধ্যপন্থী পথে ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে অর্জিত হতে পারে সহনীয় ও ন্যায়ভিত্তিক আলাপ-আলোচনার পথ। সমাজচ্যুত ব্যক্তিদের সমর্থন নিয়ে বা তাদের একত্রিত করলে পুরো এমএম ফ্যাক্টরই গ্রহণযোগ্যতা হারাবে।
গ্রহণযোগ্যতা আর আন্তরিকতাই এই খেলার শর্ত। যিনি সহনীয় কণ্ঠস্বর অবলম্বন করছেন তাকে যুক্তরাষ্ট্র বা বাইরের বৃহত্তর মুসলমানের কাছে নিজের কথাকে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে কয়েকটি বিষয় মনে রাখতে হবে :
১. তার সমাজসেবার অতীত উদাহরণ আছে কি না। তিনি একজন ধর্মপ্রাণ মুসলমান ও তার কোনো দূরবর্তী আকাক্সক্ষা নেই।
২. তিনি স্বাধীন মন সম্পন্ন একজন স্বাধীন মানুষ। ন্যায়বিচারের গতিপথের মতোই একজন ব্যক্তি বিভিন্ন বিষয়ে কখনোই একই পক্ষ অবলম্বন করতে পারেন না।
৩. তিনি সহমর্মী সেতুবন্ধ তৈরির মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল একটি সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চান, যা আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। ইসলামের মৌল উৎস, যথা : কুরান ও সুন্নাহর দ্বারা তার মত সমর্থিত।
দুর্ভাগ্যজনকভাবে, ইসরাইল-প্যালেস্টাইন ইস্যুতেও নমনীয় মতগুলোর মধ্যে বৈপরিত্যময় অবস্থান লক্ষ্য করা যায়। ইসরাইলের টিকে থাকার অধিকার আছে কিনা এ অমীমাংসিত প্রশ্নে বিতর্ক হয় না, হয় প্যালেস্টাইনি জনগণের আত্মঅধিকার, বঞ্চনা ও দখলের বিরুদ্ধে লড়াই করার অধিকার আছে কি না সেটা নিয়ে। আমেরিকার অধিকাংশ অত্যুৎসাহী মুসলমান ক্রমশ এই ধরনের লিটমাস পরীক্ষার সামনে দাঁড়াচ্ছেন।
উদাসীন ও নিরুদ্বেগ মুসলিম চিন্তক ও কর্মীরা অথবা মডারেট পরিচয় বরণে প্রস্তুতরা তকমাটিকে মেনে নিয়েছেন। অন্যরা নিজেরা কতটা মডারেট বা লিবারেল তা বিবেচনা না করেই নিজেদের র‌্যাডিকাল বা সন্ত্রাসবাদীদের প্রতি সহানুভূতিশীল বলে ঘোষণা দিয়েছেন।
আরও একটি চিন্তার বিষয় হলো, ইউসুফ ইসলামের মতো গুরুপূর্ণ মুসলিম অ্যাকটিভিস্টের ধারাবাহিক হয়রানি। শান্তির পক্ষে সঙ্গীত চর্চা ও তৎপরতার জন্য বিখ্যাত এই শিল্পী পূর্বে ক্যাট স্টিভেনস নামে পরিচিত ছিলেন। হয়রানির শিকার হচ্ছেন, ব্যাপকভাবে সন্মানীত মডারেট মুসলিম পণ্ডিত ইউসুফ আল-কারাদওবি। তিনি চরমপন্থা ও র‌্যাডিক্যাল লিটারালিজমের বিরুদ্ধের প্রচারক বলে পরিচিত। হয়রানির শিকার হচ্ছেন, লিবারেল চিন্তাবিদ তারিক রমাদান। তিনি ইসলামিক মূল্যবোধ ও পশ্চিমা সংস্কৃতির মধ্যে সেতু তৈরির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালনের জন্য খ্যাত। এই তিনজনই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে ‘জাতীয় নিরাপত্তার’ অজুহাতে বাধা পেয়েছেন।
সম্প্রতি কায়রোর যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস আল আজহার ফতোয়া কমিটির প্রধান আব্দুল হামিদ আল আতরাশকে এন্ট্রিভিসা দিতে অস্বীকার করেছে। কথা ছিল, রমজান উপলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ইসলামিক সেন্টারে বক্তৃতা দেবেন। পরিহাস হলো : প্রাচীনতম ও সন্মানীয় আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বে সবচেয়ে মডারেট মুসলিম শিক্ষাকেন্দ্র হিসাবে পরিচিত।
বলার অপেক্ষা রাখে না, বিখ্যাত ও প্রকৃত মডারেট মুসলিমদের উপর এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা উল্লম্ফন, আমেরিকা-বিরোধিতা ও চরমপন্থাকেই বাড়িয়ে তুলবে। আইডিয়ার বাজারে চরমপন্থাকে পরাজিত করতে হলে মুসলমানদের (যাদের ধর্ম চরমপন্থীদের দ্বরা অধীকৃত হয়ে গেছে) ও আমেরিকা (যাদের নীতি কনজারভেটিভদের দ্বারা হাইজ্যাকড হয়েছে) উভয়কেই প্রকৃত মুসলমানদের সমর্থন দিতে হবে।
আর কারা মডারেট মুসলিম তার সংজ্ঞা নির্ধারিত না হওয়া পর্যন্ত খামখেয়ালি পররাষ্ট্রনীতির জটিলতাই তৈরি করবে।

২০০৫ সালের সেপ্টেম্বরে ইন্টারন্যাশনাল হেরাল্ড ট্রিবিউন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।

অনুবাদ : মাহবুব মোর্শেদ

প্রকাশ করা হয়েছে: অনুবাদ বিভাগে ।

<!––>

  • ১৮ টি মন্তব্য
  • ২৮৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print

রেটিং দিতে লগ ইন করুন

পোস্টটি ১২ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

১. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৬

comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: পোস্টের জন্য ৫

‘মডারেট মুসলিম’ একটা বিশেষ ধোঁয়া বিভ্রান্ত করার জন্য।

২. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৮

comment by: বিথী বলেছেন: ৫ দিসি।
৩. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১২

comment by: প্রশ্ন কত বলেছেন: মডারেট খ্রিষ্টান ,চরমপন্হী খ্রিষ্টান শব্দ কি ওরা ব্যবহার করে ? শুনেছেন কখনো । মডারেট মুসলিম,চরমপন্হী মুসলিম বলে মুসলমানদের বিভক্ত
করার প্রচেষ্টা ছাড়া কিছু না ।

অনুবাদ বলে ৩.৫

৪. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪১

comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: “দুর্ভাগ্যজনকভাবে, ইসরাইল-প্যালেস্টাইন ইস্যুতেও নমনীয় মতগুলোর মধ্যে বৈপরিত্যময় অবস্থান লক্ষ্য করা যায়। ইসরাইলের টিকে থাকার অধিকার আছে কিনা এ অমীমাংসিত প্রশ্নে বিতর্ক হয় না, হয় প্যালেস্টাইনি জনগণের আত্মঅধিকার, বঞ্চনা ও দখলের বিরুদ্ধে লড়াই করার অধিকার আছে কি না সেটা নিয়ে। ” একমত
ভালো লেগেছে।
তবে আমি অন্তত ঐ সব মডারেট মুজলিম না।
৫. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫১

comment by: ধ্রূপদী বলেছেন: চরমপন্থি (যেমন, জামাত) ও মডারেটেড মুসলিম (যারা ইসলামের কিছু মানে, কিছু ইচ্ছেমত রদবদল করে নেয়) দুটোই ইসলামকে বিকৃত করার দোষে দুষ্ট। প্রকৃত মুসলিম ধর্ম নিয়ে এত কচলাকচলি করে না, চুপচাপ এক আল্লাহর কথা মেনে চলে।
৬. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৪

comment by: ‘ভিমরু’ বলেছেন: একমত @ প্রশ্ন কত

“মডারেট খ্রিষ্টান ,চরমপন্হী খ্রিষ্টান শব্দ কি ওরা ব্যবহার করে ? শুনেছেন কখনো । মডারেট মুসলিম,চরমপন্হী মুসলিম বলে মুসলমানদের বিভক্ত
করার প্রচেষ্টা ছাড়া কিছু না ।”

লেখার জন্য ৫। ধন্যবাদ মাহবুব মোরর্শেদ।

৭. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:২৭

comment by: বিবেক সত্যি বলেছেন: ৫
৮. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১০:২৩

comment by: আবূসামীহা বলেছেন: পশ্চিমাদের কাছে মডারেট মুসলিম হলো তারা যারা নিজেদের ধর্ম-কর্মের ধার ধারেনা, এবং তাদের দেশ ও সম্পদ পশ্চিমারা লুন্ঠন করলে বাধা দেয়না।
আপনার পোস্টের জন্য ৫।
৯. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১০:২৮

comment by: ডক্টর১২৩ বলেছেন: আবু সামিহা জামাতে ইসলামী নামক নর্দমার কীট এবং একজন ধর্ম ব্যবসায়ী, ইসলাম নামক পবিত্র ধর্মকে আবুসামিহা নামক ধর্ম ব্যবসায়ির থেকে দুরে রাকুন
১০. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১০:৪৯

comment by: ইছামতীর পাড়ে বলেছেন: ডক্টর১২৩, ভালভাবে কথা বলা যায় না? একটু সুন্দর করে কথা বললে কি সমস্যা হ্য়?
এখানে জামাত আসল কোত্থেকে? ইসলামের আলোচনা করলেই গা জ্বালা করে?

যাহোক, ভাল পোষ্টের জন্য ৫ দাগানো হল।

১১. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৯:১৫

comment by: লালন ফকির বলেছেন: এক চাঁদে হয় জগৎ আলো
এক বীজে সব জন্ম হলো
লালন বলে মিছে কলহ
ভবে শুনতে হয়।
১২. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৯:৩৩

comment by: মাহমুদউল্লাহ বলেছেন: ৫ দিলাম। আমার এক বন্ধু ছিল মাহবুব মোরশেদ। আপনি কি ভাই শাহীনে পড়তেন?
১৩. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ২:১০

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: সবাইকে ধন্যবাদ মতামত শেয়ার করার জন্য।
মাহমুদউল্লাহ,
না আমি শাহীন কলেজে পড়ি নাই। তবে মাহবুব মোর্শেদ নামটা খুব কমন। অনেকের নামই মাহবুব মোর্শেদ।
১৪. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ২:৩৯

comment by: জুবেরী বলেছেন: নিওকনজারভেটিভ মার্কিন প্রশাসন এখন জামাতকে মডারেট মুসলিম দল হিসাবে ঘোষনা দিয়েছে আর প্রথম আলো তো বাংলাদেশকে মডারেট মুসলিমদেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠা করতে বিশেষ প্রচারণাকে পলিসি হিসাবে গ্রহন করেছে ।

সংকেত কিসের ???????

বি:দ্র: মডারেট মুসলিম ধারণার প্রধান প্রচারকের (প্রথম আলো)সাথে র‌্যাডিক্যাল মুসলিম গোষ্ঠির
র্কাটুন বিরোধ তাই স্বাভাবিক ।
প্রথম আলোর প্রতি জামাতের আক্রশ তাই বোধ হয় কিছুটা নমনীয় ।

১৫. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১৩

comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: জুবেরী,
আপনার বিশ্লেষণটা চমকপ্রদ। এভাবেও ভাবা যায়।
১৬. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১৬

comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: মাহবুব ভাই কেমন আছেন?
সচলায়তনের অ্যাড্রেসটা দেন প্লিজজজ…
১৭. ২০ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৬

comment by: নিরক্ষর বলেছেন: সুন্দর পোস্ট। প্লাসাইলাম।
২০ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৭

লেখক বলেছেন: হ।

 

পৃথিবীর সেরা পেশা # গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ March 5, 2009

Filed under: Uncategorized — mahbub morshed @ 7:13 am

০২ রা অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:৩৯ শেয়ার করুন: [Add to digg] [Add to FURL] [Add to blinklist] [Add to reddit] [Add to Technorati] [Add to YahooMyWeb] [Add to Co.mments] [Add to NewsVine] Facebook [new feature] একটি কলাম্বিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল সাংবাদিকতা পড়তে চায় এমন ব্যক্তিদের কোন ধরনের গুণ থাকা উচিত অথবা তাদের জন্য পেশাভিত্তিক কোন ধরনের পরীক্ষা নেয়া উচিত। উত্তরটি ছিল চরম।Ñবলা হয়েছিল, সাংবাদিকরা শিল্পী নন। শিল্পের সঙ্গে সাংবাদিকদের জড়িয়ে যে মতগুলো প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তা উস্কানি পেয়েছে আরেক অভিযোগকে কেন্দ্র করে যে, সংবাদপত্রের কাজ হলো সাহিত্যিক ধাঁচের। পঞ্চাশ বছর আগে সাংবাদিকতার স্কুলগুলো এতো কেতাদুরস্ত ছিল না। এই কেরামতি শেখা হতো নিউজরুম, ছাপাখানা, দমবদ্ধ করা রেস্টুরেন্টের কোনায় এবং প্রতি শুক্রবারের রাতের আড্ডা-আসরে। সংবাদপত্রের কাজ হতো ফ্যাক্টরির মতো স্থানে। সেখানেই উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও তথ্য যোগান দেয়া হতো। মতামত তৈরি হতো যৌথ প্রতিক্রয়ার সতত আবহে। সাংবাদিকরা কঠিন বন্ধনে জড়িয়ে গোষ্ঠীবদ্ধ হয়ে কাজ করতেন। আমরা একটি যৌথ জীবনযাপন করতাম এবং পেশা বিষয়ে এতটাই একগুঁয়ে ছিলাম যে, অন্য বিষয়ে কথাই বলতাম না। কাজটার ধারাই এমন যে, ব্যক্তিগত জীবনের জন্য খুবই কম সময় থাকতো। কার্যকর কোনো এডিটরিয়াল বোর্ড না থাকলেও বিকাল পাঁচটায় সকল সাংবাদিক স্বতঃম্ফূর্তভাবে বিরতি নিয়ে জড়ো হতেন এডিটরিয়াল কর্মকাণ্ডের স্থানে। সে সময় কফি পান করতেন তারা। অনেকটা খোলামেলা আড্ডার মতো আয়োজন জমতো। প্রত্যেক বিভাগের গরম তর্কগুলো উঠতো সেখানে আর পরের সকালের সংস্করণের জন্য নির্ধারিত বিষয়গুলোতে ফিনিশিং টাচ দেয়ার কাজও করা হতো। যারা ২৪ ঘণ্টাজুড়ে চলতে থাকা এই ভ্রাম্যমান শিক্ষণ প্রক্রিয়ার গনগনে আগুন থেকে কিছুই নিতো না অথবা এইসব আলোচনায় বিরক্ত বোধ করতো তারা নিজেদের সাংবাদিক বলতে চাইলে বা বিশ্বাস করতে চাইলেও সেটা কঠিন হতো। সেই সময় সাংবাদিকতাকে তিনটি বড় ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা হতো : সংবাদ, ফিচার স্টোরি ও সম্পাদকীয়। যে বিভাগটিতে কাজের সবচেয়ে কেরামতি দেখাতে হতো এবং দামও বেশি পাওয়া যেত তা হলোÑসম্পাদকীয় বিভাগ। রিপোর্টারের কাজকে খুবই অবমূল্যায়ন করা হতো। তাকে ভাবা হতো শিক্ষানবিশ, নিচের সারিতে অগুরুত্বপূর্ণ কাজ করার লোক। সময় ও পেশা দুটোই বলে দিত সাংবাদিকদের রুটিন ঘড়ির কাটার উল্টাদিকে ঘুরবে। পরিহাস হিসেবে বলি, ১৯ বছর বয়সে আমি ছিলাম আইন বিদ্যালয়ের সবচেয়ে খারাপ ছাত্র আর চাকরি শুরু করেছিলাম একজন এডিটরিয়াল স্টাফ হিসাবে। পর্যায়ক্রমে কঠোর পরিশ্রম দিয়ে আমি আমার জায়গা তৈরি করেছি, নানা বিভাগে কাজ করেছি এবং শেষ পর্যন্তšপরিণত হয়েছি নির্জলা এক বুড়ো রিপোর্টারে। এই পেশার চর্চায় প্রয়োজন এক বৃহত্তর সাংস্কৃতিক পরিপ্রেক্ষিত, যা নিজেই কাজের পরিবেশ তৈরি করে দেয়। পড়াশোনা হলো আনুসঙ্গিক উপাদান। স্বশিক্ষিতরা সাধারণভাবেই এক্ষেত্রে উৎসুক থাকে এবং দ্রুত শিখে নেয় সবকিছু। এটা আমার কালের সত্য উপলদ্ধি। আমরা একে বলতাম দুনিয়ার সেরা পেশা আর অব্যাহত রাখতে চাইতাম এর সামনে চলাকে। বারোমেসে সাংবাদিক আলবার্তো লেইয়েরাস কামারগো দুই দফা কলাম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট ছিলেন, কিন্তু তার শিক্ষাদীক্ষা হাইস্কুল গ্র্যাজুয়েট পর্যন্তও ছিল না। এক সময় একাডেমিক সার্কেল থেকে সমালোচনা করা হলো যে সাংবাদিকতার ক্ষেত্রটি বিশেষজ্ঞ জ্ঞান থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আর এর ফলেই জন্ম§নিলো সাংবাদিকতার স্কুলগুলো। সে সময় শুধু প্রিন্ট মিডিয়াই নয় বরং মিডিয়ার সকল দিক এমনকি আবিস্কৃত হবে এমন মিডিয়াকেও এর কোর্সের অন্তর্ভুক্ত করা হলো। পঞ্চদশ শতকের শুরুর দিকে এর সম্মানীয় নামকরণ সত্ত্বেও এখন সেটি অচল হয়ে গিয়েছে। একে এখন আর সাংবাদিকতা বলা হয় না। এ হলোÑএখন যোগাযোগ বিজ্ঞান বা গণযোগাযোগ বিদ্যা। সাধারণ মূল্যায়নে, ফল খুব ভাল নয়। একাডেমিক ইন্সস্টিটিউশন থেকে যারা বাস্তবতা বর্জিত আকাঙক্ষা নিয়ে স্নাতক হবেন, ভবিষ্যতের জীবনে বাস্তব জ্ঞান এবং জগতের মৌল সমস্যার স্পর্শের বাইরেই থেকে যাবেন তারা। এবং আত্মউন্নয়ননই তাদের কাছে পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির চাইতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। দুটি চাবিকাঠিÑঅর্থাৎ, সৃজনশীলতা ও অভিজ্ঞতার কথা বিবেচনা করলে এটাই সত্য বলে প্রতিভাত হয়। বেশিরভাগ ছাত্রই এ পেশায় যুক্ত হয় ব্যকরণ ও বানানে দুর্বলতা এবং যে বিষয়টি তারা পড়েন সে বিষয়ে পর্যাপ্তøদখল না থাকার এক আবশ্যিক ন্যূনতা নিয়ে। কেউ কেউ বাস্তবিক অর্থেই গর্বিত বোধ করেন এই ভেবে যে, তারা মন্ত্রীর টেবিলের গোপন কাগজটি পড়ে ফেলতে পারেন, যে কোনো আলোচনা রেকর্ড করতে পারেন বক্তার অজ্ঞাতেই অথবা যে কথাকে তারা গোপন বলে মেনে নিয়েছিলেন তাকে প্রকাশ করে দিতে পারেন। সবচেয়ে বিরক্তিকর হলো, এই ধরনের টানাহেঁচড়ার ভিত্তি এই পেশার প্রায়-অশ্লীলতম দিক যে, সকল কিছুর উর্ধ্বে যে কোনো মূল্যে একজনকে কিছু একটা জানতে হবে। আর বিশ্বাসটি গেঁথে দেয়া হয়েছে সচেতন ও গভীরভাবে। ধারণা করা হয়, যে খবরটি প্রথম সংগৃহীত হলো তা-ই শ্রেষ্ঠ খবর নয়, বরং সেরা হলো উত্তমরূপে পরিবেশিত খবর, তাদের কাছে যার কোনো মূল্যই নেই। এদের মধ্যে যারা নিজেদের অপারগতা বিষয়ে সচেতন তারা মনে করে বিশ্ববিদ্যালয় তাদের প্রতারণা করেছে। যে গুনগুলো তাদের কাছে এখন প্রত্যাশা করা হয় তা সঞ্চারিত করার ব্যর্থতার জন্য শিক্ষকদের দোষারোপ করতে তারা কার্পণ্য করে না। প্রকৃতপক্ষে কৌতুহল নিজেই জীবনকে পুরস্কৃত করে। (বাকী অংশ পরে) প্রকাশ করা হয়েছে: অনুবাদ বিভাগে । * ৫ টি মন্তব্য * ১৫৮ বার পঠিত, Send to your friend Print রেটিং দিতে লগ ইন করুন পোস্টটি ১ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি এই লেখার লিংক টি আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন এই লেখার লিংক টি আপনার বন্ধুকে পাঠান বন্ধ করুন আপনার নিজস্ব ই-মেইল ক্লায়েন্ট ব্যবহার করতে চাইলে এখানেক্লিক করুন আপনার নাম : আপনার ই-মেইল আপনার বন্ধুদের ইমেইল মেসেজ (নীচের মেসেজটি আপনার ইচ্ছেমত পরিবর্তন করুন hi, i have been reading a nice wonderful post in http://www.somewhereinblog.net and would like to share it with you. Here is the post link http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubmoreblog/28735134 , please visit the link and rate it if you like. :-) নিজেকেও একটি কপি পাঠান ১. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:৫৪ comment by: শিলা বলেছেন: সরি ভাইয়া, সাংবাদিকরা আমার কাছে প্রশ্নহীন নন। তবে লেখাটি ভালেঅ লেগেছে। বাকি অংশের অপেক্ষায় রইলাম। ৫। ২. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:৫৬ comment by: ঘোর বলেছেন: ভালো আছেন? ৩. ০২ রা অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৮:৫৭ comment by: অরুনাভ বলেছেন: “প্রকৃতপক্ষে কৌতুহল নিজেই জীবনকে পুরস্কৃত করে”……লাইনটা ভাল লেগেছে….. ৪. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ১২:০৭ comment by: মাঠশালা বলেছেন: গুড পোষ্ট। ৫. ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ২:১৪ comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: শিলা, সাংবাদিকরা আমার কাছেও প্রশ্নহীন নন। ধন্যবাদ। ঘোর, ভাল আছি। মাঝে মাঝে তব দেখা পাই… অরুনাভ, মাঠশালা, ধন্যবাদ।

 

 
Follow

Get every new post delivered to your Inbox.