১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:২৮
আজকে হেভি জ্যাম পড়ছে। বিসিএস কম্পিউটার সিটি থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত রাস্তা এনগেজড। ফার্মগেট পৌঁছাইতে লাগলো মাত্র দুই ঘণ্টা। তবু বেশ ভাল লাগলো। পৌঁছাইতে তো পারলাম। অনেকে পৌঁছাইতে পারবে বলে মনে হয় না।
বাস ফার্মগেট গেল সোজা সংসদ ভবনের পাশের রাস্তা দিয়া। ফাঁকে বিজয় সরণীটা দেখে নিলাম। গেঁথে আছে একটার সাথে আরেকটা গাড়ি। আজকেই প্রথম খেয়াল করলাম বিজয় সরণীতে যত গাড়ি তার মধ্যে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট সাকুল্যে দুই বা তিনটা। বাকীসব প্রাইভেট কার। এইগুলা মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, মিরপুরের গাড়ি মূলত। এত গাড়ি কিনছে লোকে?
টাকা কই পাইছে?
ফার্মগেট থেকে বেগুনবাড়ির রিকশা নিলাম। পথে পড়ে ট্রাক স্ট্যান্ড। এই সরকার ক্ষমতা নেয়ার পরপর ট্রাক স্ট্যান্ড সাফ করেছিল। কিন্তু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরকারের রফা হওয়ার বা রফা হওয়ার ভান হওয়ার পর ট্রাকে সয়লাব হয়ে গেছে ট্রাক স্ট্যান্ড। রাস্তা ভরা রঙ বেরঙয়ের ট্রাকে।
কী করি কিছু ছবি তুললাম বসে বসে।
আকাশের ছবি আর রিকশার চাকার ছবি।
প্রকাশ করা হয়েছে: চটজলদি বিভাগে ।
প্রাকৃতজন বলেছেন: ট্রাফিক জ্যাম’রও যে উপকারিতা আছে, তা জানলাম মাহবুবের অভিজ্ঞতা অর্জন দেখে ।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: তাই তো দেখতেছি।
নূরে আলম বলেছেন: ৫ দিলাম আপনাকে।আপনার লেখা ভাল লাগে।
তবে একটা কথা, take it as a request, সম্পুর্ন শুদ্ধ ভাষায় লিখুন।
অবশ্য এটা সম্পূর্ণই আপনার ইচ্ছার উপর নির্ভর করে।
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন: রিক্সার ছবিটা ভালো লাগছে।
শরিফ রনি বলেছেন: ফার্মগেট থেকে বেগুনবাড়ির পথে যে ট্রাক স্ট্যান্ড পড়ে তা বর্তমান কেয়ারটেকার সরকার ক্ষমতা নেয়ার পর সরিয়ে দিয়েছিল। ফাকা রাম্তা পেয়ে প্রায়ই বেগুনবাড়ী থেকে হেটে ফার্মগেট যেতাম। ব্যায়াম হতো । শরীর, মন দুটোই ভালো থাকতো। এখন রাস্তা দখল করে নিয়েছে ট্রাক -রিক্সা।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: নূরে আলম,ধন্যবাদ।
ভাষার শুদ্ধতা বলে আসলে কিছু নাই। ভাষা প্রতিদিন চেঞ্জ হইতেছে। ভাষারে আটকে রাখতে চাইলে শুদ্ধ ভাষা চর্চার দরকার আছে বটে। কিন্তু ভাষাকে চলতে দেয়া দরকার নিজের মতো করে। এইটা আমার মত। আপনার মত নিরন্তরে বাঞ্চা করি।
নূরে আলম বলেছেন: মাহবুব মোর্শেদ ভাই, আপনার কথা ঠিক।কিন্তু ভাষা নিয়ন্ত্রন করেন কারা?
আপনারা সাংবাদিকরা, তাই না?
পত্রিকার একটা নিউজে বা টিভির একটা অনুষ্ঠানে তো আর ‘হইতেছে, যাইছিলাম, করছিলাম’ ইত্যাদি ভাষা ব্যবহৃত হয় না।
আপনারা মিডিয়ার সাথে জড়িত ব্যক্তিরাই তো ভাষার একটা রূপকে ‘শুদ্ধ ভাষা’ বলে থাকেন।
তাই না?
কথাটা একটু ভেবে দেখার অনুরোধ রইল।
আমার ভাষায় আবার হার্ট হবেন না।
আমার ভাষা না চাইতেও কেন যেন রুঢ় হয়ে যায়।
আগে থেকেই তাই মাফ চেয়ে নিলাম।
অনিশ্চিত বলেছেন: দুইজনেরই যুক্তি আছে। তয় ছোট কাগজ-ব্লগ-সাহিত্য ইত্যাদিতে ভাষা নিয়া পরীক্ষা-নিরীক্ষা করন যায়। সেইখান থিকা উতরাইলে হেইডারে আনুষ্ঠানিক ভাষায় ঢুকানো যায়। এর আগ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক মিডিয়া যেমন পাঠ্যবই, সংবাদপত্র, ইলেকট্রনিক মিডিয়া ইত্যাদিতে প্রচলতি শুদ্ধ ভাষা ব্যবহার করনই বোধয় বালা।
দূরন্ত বলেছেন: আজকে ঢাকার আকাশ এতো কালো কেন? অনেকটা বামিংহামের সকালের মতো। অবশ্য প্রতিদিনই দুপুরে রৌদ্রজ্জ্বল দেখি।
আনন্দময় বলেছেন: রোজার কারনে ব্লগে খুব একটা বসা হয়না,অাপনী অাপনার মত করে লিখে যান।এটা কোন পরীক্ষার খাতানা,অামাদের মত সাধারন মানুষদের পড়তে সমস্যা হয়না।
শরীফ আবদুল্লাহ বলেছেন: বাহ দারুন। জ্যামে না পড়লে এভাবে হয়ত চোখে পড়ত না। ৫
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: নূরে আলম,আপনার কথা বলার ভাষা তো রূঢ় মনে হইতেছে না।
আসলে পত্রিকার কাজ করা লোক আর নীতিনির্ধারণকারীদের মধ্যে তফাত আছে।
ফলে, ব্যক্তিগতভাবে আমরা যতই ভাষার সচলতার কথা বলি, কাজ সেই শুদ্ধভাষাতেই করতে বাধ্য হই।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: অনিশ্চিত,মিডিয়া, ব্যকরণ বই, স্কুল কলেজের ভাষাচর্চায় ভাষার উপকার হয় কি না ভাবা দরকার।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: দূরন্ত,সারাদিন কিন্তু রোদ ছিল। হঠাৎ ওই সময়ই একটু মেঘ।
আনন্দময়,
ধন্যবাদ।
শরীফ আবদুল্লাহ,
ধন্যবাদ।
খুশবু বলেছেন: সুন্দর ছবি ।
সোমেশ্বর অলি বলেছেন: আমাদের নাটকে এখন ‘ক্যাজুয়েল’ বলে ১টা ভাষা ব্যবহার হচ্ছে। অনেকটা সম্পাদনাহীনভাবেই তা আসছে। ১জন রিক্শাশ্রমিক যে ভাষায় কথা বলছে, এসব নাটকে ভার্সিটি পড়ুয়া স্টুডেন্টকেও দেখা যায় সেই ভাষায় কথা বলতে…
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: খুশবু,ধন্যবাদ।
অলি,
ক্লাস চেতনা নাই এদের?
জুয়েল,
যে রাঁধে সে কি চুল বাঁধে না?
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: নূরে আলম> মাহবুব মোর্শেদ ভাই এইখানে টিভি পর্দার কোন সংবাদ পাঠক না , অথবা কোন সুশীল সমাজের ড্রয়িং রুমেও বইস্যা নাই ।
যে গাছে যে ছাল লাগসই ! এই পোষ্টে এই ভাষাটাই মানায়া গেছে । ৫
যীশূ বলেছেন: মোবাইল ক্যামেরা? মডেল কি?
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: এমপিফোর। টুটাফাটা।











